
এজাজ আহমেদ, বার্লিন, জার্মানি

বাংলাদেশে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন জার্মানির বার্লিনে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিরা।
রোববার (২৩ মার্চ) বার্লিন শহরের বান্ডেনবুর্গ তোরণের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে বার্লিন ও এর আশপাশে বসবাসরত নানা পেশার মানুষ যোগ দেন।

মানববন্ধনের উদ্যোক্তারা জানান, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশজুড়ে নারীদের ওপর সহিংসতা যেকোনো সময়ের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশজুড়ে নারীরা নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। দেশের অনেক স্থানে নারীরা চলাফেরা করতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন।’
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বাংলাদেশজুড়ে নারীদের নিরাপত্তা সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানান।
উপস্থিত প্রবাসীরা নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে নানা রকম প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

বাংলাদেশে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন জার্মানির বার্লিনে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিরা।
রোববার (২৩ মার্চ) বার্লিন শহরের বান্ডেনবুর্গ তোরণের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে বার্লিন ও এর আশপাশে বসবাসরত নানা পেশার মানুষ যোগ দেন।

মানববন্ধনের উদ্যোক্তারা জানান, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশজুড়ে নারীদের ওপর সহিংসতা যেকোনো সময়ের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশজুড়ে নারীরা নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। দেশের অনেক স্থানে নারীরা চলাফেরা করতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন।’
মানববন্ধনে বক্তারা অবিলম্বে বাংলাদেশজুড়ে নারীদের নিরাপত্তা সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানান।
উপস্থিত প্রবাসীরা নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে নানা রকম প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।