
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ সময় গতকাল রোববার (২৪ নভেম্বর) বিকেল থেকে ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ ছিল সৌদি আরবের জেদ্দার আবাদি আল-জোহর অ্যারেনায়। ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এই অ্যারেনায় বসেছে ২০২৫ আইপিএলের মেগা নিলাম।
আজ সোমবার নিলামের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদেরও ভাগ্য সঙ্গী হতে পারে।
গতকালের মতো আজও জেদ্দায় মেগা নিলাম শুরু হবে দুপুর ১টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা)। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ডাক আসতে আসতে বিকেল (বাংলাদেশে সন্ধ্যা) হয়ে যেতে পারে।
শেষ মুহূর্তে ৩ জনকে যুক্ত করে এবারের আইপিএলের মেগা নিলামের তালিকায় ৫৭৭ ক্রিকেটার রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের ১২ জন ক্রিকেটার। মেগা নিলামের প্রথম দিন (রোববার) বাংলাদেশের কাউকে ডাকা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, ত্বরিত বা দ্রুততর নিলামপ্রক্রিয়ায় আজ তাদের ডাকা হতে পারে।
ক্রমিক নম্বর অনুসারে প্রথম ১১৭ জনের মধ্যে রোববার ৮৪ জনকে নিলামে তোলা হয়েছে। আজ সঞ্চালক মল্লিকা সাগর এক এক করে ডাকবেন পরের ৩৩ জনকে। এরপর তালিকার ১১৮ থেকে ৫৭৭ পর্যন্ত থাকা খেলোয়াড়দের ডাকার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এই ৪৪০ জনের সবাইকে না–ও ডাকা হতে পারে।
নিয়ম অনুযায়ী, একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ ২৫ খেলোয়াড় নিয়ে স্কোয়াড গড়তে পারে। সেই হিসেবে ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে ২৫০ জনের বেশি খেলোয়াড় রাখতে পারবে না। মেগা নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ৪৬ জন খেলোয়াড় ধরে রেখেছে। এর অর্থ, নিলামে ওঠা ৫৭৭ জনের মধ্যে ২০৪ জনের বেশি কেনার সুযোগ নেই।
গতকাল রোববার প্রথম দিনে ৭২ খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আজ আর ১৩২ জনকে কিনে ফেললেই সবার স্কোয়াড পূর্ণ হয়ে যাবে। আর এ জন্য মালিকদের হাতে আছে ১৭৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
ক্রমিক নম্বর অনুসারে প্রথম ১১৭ জনের সবাইকে ডাকার পর শুরু হবে দ্রুততর নিলামপ্রক্রিয়া। তাতে থাকবে দুটি ধাপ।
প্রথম ধাপে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকেরা ক্রমিক নম্বর ১১৮ থেকে ৫৭৭ নম্বরের মধ্যে থাকা খেলোয়াড়দের ভেতর থেকে তাদের পছন্দের নামগুলো নিলামের সঞ্চালক মল্লিকা সাগরের কাছে জমা দেবেন। তিনি সেই নামগুলো ডাকতে থাকবেন।
এরপর শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপ। এ পর্বে আগে যাদের একবারও ডাকা হয়নি (ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের পছন্দের তালিকায় ছিলেন না) এবং যাদের ডাকা হয়েছে কিন্তু অবিক্রীত রয়ে গেছেন, তাদের তোলা হবে।
দুই ধাপেই বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নাম থাকতে পারে। এই ডাকাডাকি তখনই বন্ধ হয়ে যাবে, যখন ১৩২ জন কেনা হয়ে যাবে অথবা ন্যূনতম চাহিদা পূরণের পর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর টাকা শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সবার নাম যে ডাকা হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।
বড় কারণ, ৫৭৭ জনের মধ্যে থাকা ১২ বাংলাদেশিদের ৮ জনের নামই ক্রমিক নম্বরে ৪০০-এর পরে। এত দূর পর্যন্ত হাঁকডাকের আগেই দলগুলোর স্কোয়াড পূর্ণ অথবা টাকা শেষ হয়ে যেতে পারে।
ক্রমিক নম্বরে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবার আগে পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের নাম (১৮১)। এরপর লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন (১৮৭)। ৩০০-এর মধ্যে আছেন আর দুজন—উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান লিটন দাস (২৪৭) ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তাওহিদ হৃদয় (২৯৮)। সাকিব আল হাসানসহ বাকি ৮ জন আছেন ৪০০-এর ওপারে। ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের পছন্দের তালিকায় না থাকলে তাঁদের বিক্রি হওয়ায় সম্ভাবনা খুব কম।
প্রথম দিনে বিক্রি ৭২ খেলোয়াড়, ব্যয় ৪৬৭ কোটি ৯৫ লাখ রুপি
২০২৫ আইপিএলের মেগা নিলামের প্রথম দিনে গতকাল রোববার খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছে মোট ৭২ জন। খেলোয়াড় কেনার পেছনে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মোট ব্যয় করেছে ৪৬৭ কোটি ৯৫ লাখ রুপি। দুবার ভেঙেছে আইপিএলের সবচেয়ে বেশি দামের রেকর্ড। চমক দেখিয়েছেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার।
প্রথমে মিচেল স্টার্কের রেকর্ড ভেঙে দেন শ্রেয়াস আইয়ার। আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার ছিলেন স্টার্ক। গত আইপিএল নিলামে তাঁর নিলামে দাম উঠেছিল ২৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। তবে রোববার আইয়ারকে ২৬ কোটি ৭৫ লাখ রূপি রেকর্ড মূল্যে কিনেছে পাঞ্জাব।
আইয়ারের রেকর্ড খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মিনিট বিশেক পর তাঁর রেকর্ড ভেঙে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি দামের খেলোয়াড় হয়ে যান ঋষভ পন্ত। বাঁহাতি উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যানকে রেকর্ড ২৭ কোটি রুপিতে তাঁকে দলে নিয়েছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। এবার তো বটেই, আইপিএল ইতিহাসেই এটি সর্বোচ্চ দাম।
অন্যদিকে ভেঙ্কাটেশ আইয়ারকে পেতে বেঙ্গালুরু ও কলকাতার মধ্যে ভালোই লড়াই হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই অলরাউন্ডারকে তাঁর পুরোনো দল কলকাতাই দলে নিয়েছে। আইয়ারের দাম উঠেছে ২৩ কোটি ৭৫ লাখ।

বাংলাদেশ সময় গতকাল রোববার (২৪ নভেম্বর) বিকেল থেকে ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ ছিল সৌদি আরবের জেদ্দার আবাদি আল-জোহর অ্যারেনায়। ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এই অ্যারেনায় বসেছে ২০২৫ আইপিএলের মেগা নিলাম।
আজ সোমবার নিলামের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদেরও ভাগ্য সঙ্গী হতে পারে।
গতকালের মতো আজও জেদ্দায় মেগা নিলাম শুরু হবে দুপুর ১টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা)। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ডাক আসতে আসতে বিকেল (বাংলাদেশে সন্ধ্যা) হয়ে যেতে পারে।
শেষ মুহূর্তে ৩ জনকে যুক্ত করে এবারের আইপিএলের মেগা নিলামের তালিকায় ৫৭৭ ক্রিকেটার রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের ১২ জন ক্রিকেটার। মেগা নিলামের প্রথম দিন (রোববার) বাংলাদেশের কাউকে ডাকা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, ত্বরিত বা দ্রুততর নিলামপ্রক্রিয়ায় আজ তাদের ডাকা হতে পারে।
ক্রমিক নম্বর অনুসারে প্রথম ১১৭ জনের মধ্যে রোববার ৮৪ জনকে নিলামে তোলা হয়েছে। আজ সঞ্চালক মল্লিকা সাগর এক এক করে ডাকবেন পরের ৩৩ জনকে। এরপর তালিকার ১১৮ থেকে ৫৭৭ পর্যন্ত থাকা খেলোয়াড়দের ডাকার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে এই ৪৪০ জনের সবাইকে না–ও ডাকা হতে পারে।
নিয়ম অনুযায়ী, একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ ২৫ খেলোয়াড় নিয়ে স্কোয়াড গড়তে পারে। সেই হিসেবে ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলে ২৫০ জনের বেশি খেলোয়াড় রাখতে পারবে না। মেগা নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ৪৬ জন খেলোয়াড় ধরে রেখেছে। এর অর্থ, নিলামে ওঠা ৫৭৭ জনের মধ্যে ২০৪ জনের বেশি কেনার সুযোগ নেই।
গতকাল রোববার প্রথম দিনে ৭২ খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আজ আর ১৩২ জনকে কিনে ফেললেই সবার স্কোয়াড পূর্ণ হয়ে যাবে। আর এ জন্য মালিকদের হাতে আছে ১৭৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
ক্রমিক নম্বর অনুসারে প্রথম ১১৭ জনের সবাইকে ডাকার পর শুরু হবে দ্রুততর নিলামপ্রক্রিয়া। তাতে থাকবে দুটি ধাপ।
প্রথম ধাপে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকেরা ক্রমিক নম্বর ১১৮ থেকে ৫৭৭ নম্বরের মধ্যে থাকা খেলোয়াড়দের ভেতর থেকে তাদের পছন্দের নামগুলো নিলামের সঞ্চালক মল্লিকা সাগরের কাছে জমা দেবেন। তিনি সেই নামগুলো ডাকতে থাকবেন।
এরপর শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপ। এ পর্বে আগে যাদের একবারও ডাকা হয়নি (ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের পছন্দের তালিকায় ছিলেন না) এবং যাদের ডাকা হয়েছে কিন্তু অবিক্রীত রয়ে গেছেন, তাদের তোলা হবে।
দুই ধাপেই বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নাম থাকতে পারে। এই ডাকাডাকি তখনই বন্ধ হয়ে যাবে, যখন ১৩২ জন কেনা হয়ে যাবে অথবা ন্যূনতম চাহিদা পূরণের পর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর টাকা শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সবার নাম যে ডাকা হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।
বড় কারণ, ৫৭৭ জনের মধ্যে থাকা ১২ বাংলাদেশিদের ৮ জনের নামই ক্রমিক নম্বরে ৪০০-এর পরে। এত দূর পর্যন্ত হাঁকডাকের আগেই দলগুলোর স্কোয়াড পূর্ণ অথবা টাকা শেষ হয়ে যেতে পারে।
ক্রমিক নম্বরে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবার আগে পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের নাম (১৮১)। এরপর লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন (১৮৭)। ৩০০-এর মধ্যে আছেন আর দুজন—উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান লিটন দাস (২৪৭) ও মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান তাওহিদ হৃদয় (২৯৮)। সাকিব আল হাসানসহ বাকি ৮ জন আছেন ৪০০-এর ওপারে। ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের পছন্দের তালিকায় না থাকলে তাঁদের বিক্রি হওয়ায় সম্ভাবনা খুব কম।
প্রথম দিনে বিক্রি ৭২ খেলোয়াড়, ব্যয় ৪৬৭ কোটি ৯৫ লাখ রুপি
২০২৫ আইপিএলের মেগা নিলামের প্রথম দিনে গতকাল রোববার খেলোয়াড় বিক্রি হয়েছে মোট ৭২ জন। খেলোয়াড় কেনার পেছনে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো মোট ব্যয় করেছে ৪৬৭ কোটি ৯৫ লাখ রুপি। দুবার ভেঙেছে আইপিএলের সবচেয়ে বেশি দামের রেকর্ড। চমক দেখিয়েছেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার।
প্রথমে মিচেল স্টার্কের রেকর্ড ভেঙে দেন শ্রেয়াস আইয়ার। আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার ছিলেন স্টার্ক। গত আইপিএল নিলামে তাঁর নিলামে দাম উঠেছিল ২৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। তবে রোববার আইয়ারকে ২৬ কোটি ৭৫ লাখ রূপি রেকর্ড মূল্যে কিনেছে পাঞ্জাব।
আইয়ারের রেকর্ড খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মিনিট বিশেক পর তাঁর রেকর্ড ভেঙে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি দামের খেলোয়াড় হয়ে যান ঋষভ পন্ত। বাঁহাতি উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যানকে রেকর্ড ২৭ কোটি রুপিতে তাঁকে দলে নিয়েছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস। এবার তো বটেই, আইপিএল ইতিহাসেই এটি সর্বোচ্চ দাম।
অন্যদিকে ভেঙ্কাটেশ আইয়ারকে পেতে বেঙ্গালুরু ও কলকাতার মধ্যে ভালোই লড়াই হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এই অলরাউন্ডারকে তাঁর পুরোনো দল কলকাতাই দলে নিয়েছে। আইয়ারের দাম উঠেছে ২৩ কোটি ৭৫ লাখ।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে