
বিডিজেন ডেস্ক

আইনি বাধ্যবাধকতায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আবারও যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়েছে ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশ্বাসের পর দেশটির ১৭ কোটি ব্যবহারকারীর জন্য টিকটক চালু করা হয়েছে।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
আজ সোমবার (২০ জানুয়ারী) প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্প বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি টিকটক নিষিদ্ধ করার আইন কার্যকর বিলম্বিত করতে নির্বাহী আদেশ জারির মাধ্যমে উদ্যোগ নেবেন।
গত শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীদের জন্য বন্ধ হয়ে যায় টিকটক। এর আগে গত বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পাস হওয়া চীনা কোম্পানি বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন টিকটক নিষিদ্ধ করার আইনটির বিষয়ে টিকটক, বাইটড্যান্স ও কিছুসংখ্যক ব্যবহারকারী চ্যালেঞ্জ করেন।
কিন্তু টিকটক নিষিদ্ধ করার একটি আইন গত শুক্রবার দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখে। এরপর চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। কেননা, আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে টিকটকের মালিকানা বিক্রি না করলে কোম্পানিটির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
ট্রাম্প আগে টিকটক নিষিদ্ধের পক্ষে ছিলেন। গতকাল রোববার নিজের সোশ্যাল ট্রুথে তিনি বলেন, ‘আমি কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ করছি যেন টিকটক বন্ধ না হয়। আইনি বাধ্যবাধকতায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আমি সোমবার (আজ) একটি নির্বাহী আদেশ জারি করব, যাতে আমরা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি চুক্তি করতে পারি।’
ধারণা করা হচ্ছে, টিকটকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাও চিউ আজ ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন অ্যাপটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ হলো, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
সূত্র: বিবিসি
আরও পড়ুন

আইনি বাধ্যবাধকতায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আবারও যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়েছে ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের আশ্বাসের পর দেশটির ১৭ কোটি ব্যবহারকারীর জন্য টিকটক চালু করা হয়েছে।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
আজ সোমবার (২০ জানুয়ারী) প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্প বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি টিকটক নিষিদ্ধ করার আইন কার্যকর বিলম্বিত করতে নির্বাহী আদেশ জারির মাধ্যমে উদ্যোগ নেবেন।
গত শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীদের জন্য বন্ধ হয়ে যায় টিকটক। এর আগে গত বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পাস হওয়া চীনা কোম্পানি বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন টিকটক নিষিদ্ধ করার আইনটির বিষয়ে টিকটক, বাইটড্যান্স ও কিছুসংখ্যক ব্যবহারকারী চ্যালেঞ্জ করেন।
কিন্তু টিকটক নিষিদ্ধ করার একটি আইন গত শুক্রবার দেশটির সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখে। এরপর চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। কেননা, আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে টিকটকের মালিকানা বিক্রি না করলে কোম্পানিটির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
ট্রাম্প আগে টিকটক নিষিদ্ধের পক্ষে ছিলেন। গতকাল রোববার নিজের সোশ্যাল ট্রুথে তিনি বলেন, ‘আমি কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ করছি যেন টিকটক বন্ধ না হয়। আইনি বাধ্যবাধকতায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আমি সোমবার (আজ) একটি নির্বাহী আদেশ জারি করব, যাতে আমরা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি চুক্তি করতে পারি।’
ধারণা করা হচ্ছে, টিকটকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাও চিউ আজ ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন অ্যাপটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ হলো, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
সূত্র: বিবিসি
আরও পড়ুন
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে