
বিডিজেন ডেস্ক

ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ কাতার ২০২৪-এর স্থানীয় আয়োজক কমিটি নিশ্চিত করেছে যে, ২১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) থেকে দোহায় টুর্নামেন্টের টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে।
কাতারের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: http://fic24.qa
এর মাধ্যমে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়।
ভিসা ও মাস্টার কার্ডসহ সব কার্ড দিয়েই টিকিট কেনা যাবে। ভিসা কার্ডের পক্ষ থেকে আগেই সপ্তাহব্যাপী প্রি-সেল অনুষ্ঠান হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা গেছে মানুষের মধ্যে টিকিটের চাহিদা ব্যাপক। তালিকার ওপরের দিকে আছে মিসর, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডান।
১১–১৮ ডিসেম্বর কাতারে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি ফুটবল ভক্তদের বর্তমান উয়েফা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ, আল আহলি এসসি (সিএএফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২০২৪ বিজয়ী) ও সিএফ পাচুকার (কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ ২০২৪ বিজয়ী) খেলা দেখার অনন্য সুযোগ দেবে।
দ্য পেনিনসুয়েলার এক সংবাদে বলা হয়, ঐতিহাসিক কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের (২০২২) দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আইকনিক লুসাইল স্টেডিয়ামে বহুল প্রত্যাশিত ফাইনাল খেলা হবে। অন্য দুটি খেলা হবে ৯৭৪ স্টেডিয়ামে। দুই স্থানই সুন্দর ব্যবহারযোগ্য এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য থাকছে বিকল্প ব্যবস্থা।
টিকিটের দাম
ফিফা ডার্বি অব আমেরিকাস কাতার ২০২৪ এবং
ফিফা চ্যালেঞ্জার কাপ কাতার ২০২৪ (স্টেডিয়াম ৯৭৪)
বিভাগ ১ – ১৫০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ২ – ৭০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ৩ – ৪০ কাতারি রিয়াল
ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ কাতার ২০২৪ ফাইনাল (লুসাইল স্টেডিয়াম)
বিভাগ ১ – ১০০০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ২ – ৬০০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ৩ – ২০০ কাতারি রিয়াল
দর্শকেরা জনপ্রতি ৬টি টিকিট কিনতে পারবেন। পরবর্তী পর্যায়ে একটি অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্ম পাওয়া যাবে। জাল বা অবৈধ টিকিটের মতো সম্ভাব্য সমস্যা এড়াতে অনুরাগীদের শুধুমাত্র অফিসিয়াল সোর্স থেকে টিকিট কেনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ কাতার ২০২৪-এর স্থানীয় আয়োজক কমিটি নিশ্চিত করেছে যে, ২১ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) থেকে দোহায় টুর্নামেন্টের টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে।
কাতারের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: http://fic24.qa
এর মাধ্যমে টিকিট বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়।
ভিসা ও মাস্টার কার্ডসহ সব কার্ড দিয়েই টিকিট কেনা যাবে। ভিসা কার্ডের পক্ষ থেকে আগেই সপ্তাহব্যাপী প্রি-সেল অনুষ্ঠান হয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা গেছে মানুষের মধ্যে টিকিটের চাহিদা ব্যাপক। তালিকার ওপরের দিকে আছে মিসর, কাতার, সৌদি আরব ও জর্ডান।
১১–১৮ ডিসেম্বর কাতারে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টটি ফুটবল ভক্তদের বর্তমান উয়েফা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ, আল আহলি এসসি (সিএএফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২০২৪ বিজয়ী) ও সিএফ পাচুকার (কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ ২০২৪ বিজয়ী) খেলা দেখার অনন্য সুযোগ দেবে।
দ্য পেনিনসুয়েলার এক সংবাদে বলা হয়, ঐতিহাসিক কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের (২০২২) দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে আইকনিক লুসাইল স্টেডিয়ামে বহুল প্রত্যাশিত ফাইনাল খেলা হবে। অন্য দুটি খেলা হবে ৯৭৪ স্টেডিয়ামে। দুই স্থানই সুন্দর ব্যবহারযোগ্য এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য থাকছে বিকল্প ব্যবস্থা।
টিকিটের দাম
ফিফা ডার্বি অব আমেরিকাস কাতার ২০২৪ এবং
ফিফা চ্যালেঞ্জার কাপ কাতার ২০২৪ (স্টেডিয়াম ৯৭৪)
বিভাগ ১ – ১৫০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ২ – ৭০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ৩ – ৪০ কাতারি রিয়াল
ফিফা ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ কাতার ২০২৪ ফাইনাল (লুসাইল স্টেডিয়াম)
বিভাগ ১ – ১০০০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ২ – ৬০০ কাতারি রিয়াল
বিভাগ ৩ – ২০০ কাতারি রিয়াল
দর্শকেরা জনপ্রতি ৬টি টিকিট কিনতে পারবেন। পরবর্তী পর্যায়ে একটি অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্ম পাওয়া যাবে। জাল বা অবৈধ টিকিটের মতো সম্ভাব্য সমস্যা এড়াতে অনুরাগীদের শুধুমাত্র অফিসিয়াল সোর্স থেকে টিকিট কেনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে