
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে আমেরিকা হামলা চালালে এর প্রতিক্রিয়ায় প্রথমেই ইসরায়েলে হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবফ সতর্ক করে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের হুমকি অনুযায়ী আমেরিকা যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিতে হামলা চালায়, তবে আমেরিকান সামরিক বাহিনী এবং ইসরায়েল ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইরানে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীরা দেশটির রাজধানী তেহরান ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশাদের রাজপথগুলোতে আছড়ে পড়েছে। ইন্টারনেট ব্যবস্থা অচল এবং টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিক্ষোভের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
অ্যাক্টিভিস্টদের দাবি, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
এরই মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারেন বলেন জানিয়েছেন। এর জবাবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবফ সতর্ক করে জানিয়েছেন, এমন হলে আমেরিকান সামরিক বাহিনী এবং ইসরায়েল ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হবে।
পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতারা দৌড়ে স্পিকারের মঞ্চের সামনে গিয়ে “আমেরিকা নিপাত যাক!” বলে স্লোগান দেওয়ার সময় গালিবফ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমেরিকান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শনিবার রাতে জানিয়েছে, ইরানের ওপর হামলার সামরিক বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে পেশ করা হয়েছে। তবে তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
এরপরেই ইরানের জাতীয় সংসদ অধিবেশনে গালিবফ সরাসরি ইসরায়েলকে ‘অধিকৃত ভূখণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আমেরিকান সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে হুমকি দেন, যা ছিল দেশ দুইটিতে হামলা করার আগাম সতর্কবার্তা।
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”

ইরানে আমেরিকা হামলা চালালে এর প্রতিক্রিয়ায় প্রথমেই ইসরায়েলে হামলা চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবফ সতর্ক করে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের হুমকি অনুযায়ী আমেরিকা যদি ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিতে হামলা চালায়, তবে আমেরিকান সামরিক বাহিনী এবং ইসরায়েল ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইরানে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীরা দেশটির রাজধানী তেহরান ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশাদের রাজপথগুলোতে আছড়ে পড়েছে। ইন্টারনেট ব্যবস্থা অচল এবং টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিক্ষোভের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
অ্যাক্টিভিস্টদের দাবি, বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১১৬ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
এরই মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে ইরানে সামরিক হামলা চালাতে পারেন বলেন জানিয়েছেন। এর জবাবে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবফ সতর্ক করে জানিয়েছেন, এমন হলে আমেরিকান সামরিক বাহিনী এবং ইসরায়েল ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হবে।
পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতারা দৌড়ে স্পিকারের মঞ্চের সামনে গিয়ে “আমেরিকা নিপাত যাক!” বলে স্লোগান দেওয়ার সময় গালিবফ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আমেরিকান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শনিবার রাতে জানিয়েছে, ইরানের ওপর হামলার সামরিক বিকল্পগুলো ট্রাম্পের কাছে পেশ করা হয়েছে। তবে তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি।
এরপরেই ইরানের জাতীয় সংসদ অধিবেশনে গালিবফ সরাসরি ইসরায়েলকে ‘অধিকৃত ভূখণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং আমেরিকান সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে হুমকি দেন, যা ছিল দেশ দুইটিতে হামলা করার আগাম সতর্কবার্তা।
গালিবফ বলেন, “ইরানে হামলার ঘটনা ঘটলে, অধিকৃত ভূখণ্ড এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সমস্ত সামরিক কেন্দ্র, ঘাঁটি ও জাহাজ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা কেবল হামলা হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানানোর মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখব না, বরং হুমকির যেকোনো বস্তুনিষ্ঠ লক্ষণ দেখামাত্রই পদক্ষেপ নেব।”
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।