
বিডিজেন ডেস্ক

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার দিনব্যাপী বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরের মধ্যে ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। দুবাই-ভিত্তিক এমিরেটস এবং আবুধাবির ইতিহাদ এয়ারওয়েজ নিশ্চিত করেছে, তারা ধীরে ধীরে যুক্তরাজ্যের ব্যস্ততম এ বিমানবন্দরে তাদের ফ্লাইট শুরু করছে।
টার্মিনাল ২-এ অগ্নিকাণ্ডের কারণে শুক্রবার লন্ডনের হিথ্রো সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বিলম্বিত বা বাতিল করা হয়, যার ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভ্রমণকারীসহ হাজার হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়ার পর এমিরেটস ঘোষণা করে, আজ শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হিথ্রো পর্যন্ত ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। যাদের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে তারা পুনরায় বুকিং সহায়তার জন্য সরাসরি তাদের বুকিং এজেন্ট বা এমিরেটসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এ নিয়ে আপডেটও দিয়েছেন তারা।
ইতিমধ্যে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ নিশ্চিত করেছে, তারা শনিবার থেকে আবুধাবি এবং লন্ডন হিথ্রোর ফ্লাইট পুনরায় শুরু করবে। বিমান সংস্থাটি যাত্রীদের ইতিহাদ ওয়েবসাইটে তাদের ফ্লাইটের তথ্য জানার জন্য এবং রিয়েল-টাইম আপডেট পেতে ‘ম্যানেজ ইওর বুকিং’ পোর্টালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
ব্যাহত ফ্লাইটের কারণে আজ লন্ডন হিথ্রো বিশেষভাবে ব্যস্ত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাই ইতিহাদ যাত্রীদের বিমানবন্দরে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে। বিমান সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তাদের কর্মীরা যাত্রীদের পাশে থাকবেন।
এক দিন বন্ধ থাকার পর আজ যুক্তরাজ্যের লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। আজ শনিবারের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্যক্রম শুরু হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় অসুবিধায় পড়েছিল ২ লাখ যাত্রী। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের যাত্রীদের পাঠানো হয় অন্যান্য বিমানবন্দরে। এ কারণে যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা জানিয়েছেন হিথ্রোর প্রধান নির্বাহী থমাস ওল্ডবাই।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার দিনব্যাপী বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরের মধ্যে ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। দুবাই-ভিত্তিক এমিরেটস এবং আবুধাবির ইতিহাদ এয়ারওয়েজ নিশ্চিত করেছে, তারা ধীরে ধীরে যুক্তরাজ্যের ব্যস্ততম এ বিমানবন্দরে তাদের ফ্লাইট শুরু করছে।
টার্মিনাল ২-এ অগ্নিকাণ্ডের কারণে শুক্রবার লন্ডনের হিথ্রো সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। বেশ কয়েকটি ফ্লাইট বিলম্বিত বা বাতিল করা হয়, যার ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভ্রমণকারীসহ হাজার হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হন।
বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়ার পর এমিরেটস ঘোষণা করে, আজ শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হিথ্রো পর্যন্ত ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। যাদের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে তারা পুনরায় বুকিং সহায়তার জন্য সরাসরি তাদের বুকিং এজেন্ট বা এমিরেটসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এ নিয়ে আপডেটও দিয়েছেন তারা।
ইতিমধ্যে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ নিশ্চিত করেছে, তারা শনিবার থেকে আবুধাবি এবং লন্ডন হিথ্রোর ফ্লাইট পুনরায় শুরু করবে। বিমান সংস্থাটি যাত্রীদের ইতিহাদ ওয়েবসাইটে তাদের ফ্লাইটের তথ্য জানার জন্য এবং রিয়েল-টাইম আপডেট পেতে ‘ম্যানেজ ইওর বুকিং’ পোর্টালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
ব্যাহত ফ্লাইটের কারণে আজ লন্ডন হিথ্রো বিশেষভাবে ব্যস্ত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাই ইতিহাদ যাত্রীদের বিমানবন্দরে অতিরিক্ত সময় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে। বিমান সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তাদের কর্মীরা যাত্রীদের পাশে থাকবেন।
এক দিন বন্ধ থাকার পর আজ যুক্তরাজ্যের লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। আজ শনিবারের মধ্যে সম্পূর্ণ কার্যক্রম শুরু হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, হিথ্রো বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় অসুবিধায় পড়েছিল ২ লাখ যাত্রী। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের যাত্রীদের পাঠানো হয় অন্যান্য বিমানবন্দরে। এ কারণে যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা জানিয়েছেন হিথ্রোর প্রধান নির্বাহী থমাস ওল্ডবাই।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।