
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায়প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক আয়োজন চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার (সিসিএ) ঐতিহ্যবাহী মেজবান।
গতকাল রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনির মিন্টোতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই মেজবান অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টা থেকে রাত পর্যন্ত চলা এই মহোৎসবে প্রায় ৫ হাজার অতিথি অংশ নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
অতিথিদের জন্য পরিবেশিত হয় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানি গরুর মাংস, নলা, ছোলা ডাল, ভেড়ার মাংস ও সাদা ভাত। সুস্বাদু এই খাবার শুধু প্রবাসীদের রসনাই তৃপ্ত করেনি, শেকড়ের সঙ্গে একাত্ম করেছে সবার মনকেও।

চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া বিগত কয়েক বছরের ধরে ধারাবাহিকতায় হাজারো মানুষের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মেজবান আয়োজন করে আসছে। এটি শুধু খাবারের আয়োজন নয়, ঐতিহ্য রক্ষা, সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
একইসঙ্গে, চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ায় দেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দাতব্য ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।
এবারের মেজবান আয়োজন সম্ভব হয়েছে স্পনসর, ডোনার ও কমিউনিটির অকুণ্ঠ সহযোগিতায়। এ আয়োজনের প্রাইম স্পনসর ছিল নিরালা হোল্ডিংস। টাইটেল স্পনসর ছিল Laing + Simmons Ingleburn। এ ছাড়া, আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ও শুভানুধ্যায়ী এগিয়ে আসেন। তাদের অবদান অনুষ্ঠানকে করেছে আরও সমৃদ্ধ ও সফল।

অনুষ্ঠান শুরু হয় কোরআন তিলওয়াত এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আকরাম উল্লাহ ও জেনারেল সেক্রেটারি নাজিম ওয়ালিদ।
পাবলিক রিলেশন ও কালচারাল সেক্রেটারি সাদিয়া হকের সঞ্চালনায় মূল আকর্ষণ ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে প্রবাসী শিল্পী ও নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোররা নাচ ও গান পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে স্পনসর, শিল্পী ও সাংবাদিকদের সম্মাননা সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

মেজবান ২০২৫-এ অংশ নেন প্রবাসী কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের সফল ব্যক্তিত্ব, উদ্যোক্তা, পেশাজীবী ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক ‘মেজবান ম্যাগাজিন’। এতে ক্লাবের কর্মকাণ্ড, ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্থান পায়।
প্রায় ৫ হাজার মানুষের জন্য ঐতিহ্যবাহী মেজবান রান্নার দায়িত্ব পালন করেন শেফ মাসুম রানা ও তাঁর দল। ক্লাবের কমিটি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগীরা নিরলস পরিশ্রম করে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করেন।
ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইফুল হাসান চৌধুরী সকল অতিথিকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষভাবে পুরো এক্সিকিউটিভ টিমের নিরলস প্রচেষ্টা ও অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া জানায়, প্রতিটি মানুষের অবদান ও সহযোগিতা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। আমরা কৃতজ্ঞ সবার প্রতি এবং চাই আরও মানুষ যুক্ত হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সমাজের কল্যাণে কাজের এই মহৎ প্রয়াসে। আপনাদের দান ও সমর্থন আমাদের ভবিষ্যৎ উদ্যোগগুলোকে আরও সফল করতে সাহায্য করবে।
মেজবান ২০২৫ শুধু খাবারের আয়োজন নয়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সমাজসেবার এক গৌরবময় উৎসব হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অস্ট্রেলিয়ায়প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক আয়োজন চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার (সিসিএ) ঐতিহ্যবাহী মেজবান।
গতকাল রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনির মিন্টোতে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই মেজবান অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৫টা থেকে রাত পর্যন্ত চলা এই মহোৎসবে প্রায় ৫ হাজার অতিথি অংশ নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
অতিথিদের জন্য পরিবেশিত হয় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানি গরুর মাংস, নলা, ছোলা ডাল, ভেড়ার মাংস ও সাদা ভাত। সুস্বাদু এই খাবার শুধু প্রবাসীদের রসনাই তৃপ্ত করেনি, শেকড়ের সঙ্গে একাত্ম করেছে সবার মনকেও।

চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া বিগত কয়েক বছরের ধরে ধারাবাহিকতায় হাজারো মানুষের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মেজবান আয়োজন করে আসছে। এটি শুধু খাবারের আয়োজন নয়, ঐতিহ্য রক্ষা, সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
একইসঙ্গে, চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ায় দেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন দাতব্য ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।
এবারের মেজবান আয়োজন সম্ভব হয়েছে স্পনসর, ডোনার ও কমিউনিটির অকুণ্ঠ সহযোগিতায়। এ আয়োজনের প্রাইম স্পনসর ছিল নিরালা হোল্ডিংস। টাইটেল স্পনসর ছিল Laing + Simmons Ingleburn। এ ছাড়া, আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ও শুভানুধ্যায়ী এগিয়ে আসেন। তাদের অবদান অনুষ্ঠানকে করেছে আরও সমৃদ্ধ ও সফল।

অনুষ্ঠান শুরু হয় কোরআন তিলওয়াত এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।
স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আকরাম উল্লাহ ও জেনারেল সেক্রেটারি নাজিম ওয়ালিদ।
পাবলিক রিলেশন ও কালচারাল সেক্রেটারি সাদিয়া হকের সঞ্চালনায় মূল আকর্ষণ ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে প্রবাসী শিল্পী ও নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোররা নাচ ও গান পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে স্পনসর, শিল্পী ও সাংবাদিকদের সম্মাননা সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

মেজবান ২০২৫-এ অংশ নেন প্রবাসী কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের সফল ব্যক্তিত্ব, উদ্যোক্তা, পেশাজীবী ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ। এ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক ‘মেজবান ম্যাগাজিন’। এতে ক্লাবের কর্মকাণ্ড, ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্থান পায়।
প্রায় ৫ হাজার মানুষের জন্য ঐতিহ্যবাহী মেজবান রান্নার দায়িত্ব পালন করেন শেফ মাসুম রানা ও তাঁর দল। ক্লাবের কমিটি সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও সহযোগীরা নিরলস পরিশ্রম করে অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করেন।
ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাইফুল হাসান চৌধুরী সকল অতিথিকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষভাবে পুরো এক্সিকিউটিভ টিমের নিরলস প্রচেষ্টা ও অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম ক্লাব অস্ট্রেলিয়া জানায়, প্রতিটি মানুষের অবদান ও সহযোগিতা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। আমরা কৃতজ্ঞ সবার প্রতি এবং চাই আরও মানুষ যুক্ত হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও সমাজের কল্যাণে কাজের এই মহৎ প্রয়াসে। আপনাদের দান ও সমর্থন আমাদের ভবিষ্যৎ উদ্যোগগুলোকে আরও সফল করতে সাহায্য করবে।
মেজবান ২০২৫ শুধু খাবারের আয়োজন নয়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলা, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সমাজসেবার এক গৌরবময় উৎসব হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।