
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কলেজ (বিএমসি –বিডিসি) অ্যালামনাইদের চতুর্থ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি ভিক্টোরিয়ার রাজধানী মেলবোর্নের বেরউইকে মনোরম উইলসন বোটানিক্যাল গার্ডেনে এই মিলনমেলা আয়োজন করা হয়। বৈরি আবহাওয়া ও ঝিরিঝিরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিএমসি–বিডিসিয়ানরা মেলবোর্নে একত্রিত হন আড্ডা, স্মৃতিচারণ ও বন্ধুত্বের উষ্ণতায়। বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই মিলনমেলায় মেতে উঠেছিলেন তারা।
অনুষ্ঠানে দেশি-চাইনিজ খাবারের সঙ্গে ছিল মুড়ি, চানাচুর আর মালাই চায়ের বিশেষ আয়োজন—যা মিলনমেলাকে দেয় এক ভিন্ন মাত্রা। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের অসংখ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী আজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে। সেই সব চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীদের মিলনেই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুনর্মিলনী।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যন অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম দোলন। তিনি নিজেও বিএমসির প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী হওয়ায় পুনর্মিলনীর এই আয়োজনকে তিনি বলেন, “গর্ব ও আবেগের মুহূর্ত”।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিএমসিয়ান শাহনিলা মিঠি জানান, “এবার ছোট পরিসরে আয়োজন করা হলেও খুব শিগগিরই অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত সকল বিএমসি–বিডিসিয়ানদের নিয়ে একটি বৃহৎ পূর্ণাঙ্গ পুনর্মিলনী আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।”
বৃষ্টি ভেজা আবহাওয়াকেও হার মানিয়ে স্মৃতি, সম্পর্ক আর আনন্দে ভরপুর এই পুনর্মিলনী অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী বিএমসিয়ানদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা যোগ করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কলেজ (বিএমসি –বিডিসি) অ্যালামনাইদের চতুর্থ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি ভিক্টোরিয়ার রাজধানী মেলবোর্নের বেরউইকে মনোরম উইলসন বোটানিক্যাল গার্ডেনে এই মিলনমেলা আয়োজন করা হয়। বৈরি আবহাওয়া ও ঝিরিঝিরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বিএমসি–বিডিসিয়ানরা মেলবোর্নে একত্রিত হন আড্ডা, স্মৃতিচারণ ও বন্ধুত্বের উষ্ণতায়। বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই মিলনমেলায় মেতে উঠেছিলেন তারা।
অনুষ্ঠানে দেশি-চাইনিজ খাবারের সঙ্গে ছিল মুড়ি, চানাচুর আর মালাই চায়ের বিশেষ আয়োজন—যা মিলনমেলাকে দেয় এক ভিন্ন মাত্রা। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের অসংখ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী আজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে। সেই সব চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীদের মিলনেই প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুনর্মিলনী।

অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যন অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম দোলন। তিনি নিজেও বিএমসির প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী হওয়ায় পুনর্মিলনীর এই আয়োজনকে তিনি বলেন, “গর্ব ও আবেগের মুহূর্ত”।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিএমসিয়ান শাহনিলা মিঠি জানান, “এবার ছোট পরিসরে আয়োজন করা হলেও খুব শিগগিরই অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত সকল বিএমসি–বিডিসিয়ানদের নিয়ে একটি বৃহৎ পূর্ণাঙ্গ পুনর্মিলনী আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।”
বৃষ্টি ভেজা আবহাওয়াকেও হার মানিয়ে স্মৃতি, সম্পর্ক আর আনন্দে ভরপুর এই পুনর্মিলনী অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী বিএমসিয়ানদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা যোগ করেছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে