
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের মক্কায় পৌঁছানোর পর ওমরাহ যাত্রীদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত যান ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ওমরাহযাত্রীদের সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকি এড়াতে তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত পরিবহনে চড়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, বৈধতার স্পষ্ট চিহ্ন বহন করে এমন যানবাহন ওমরাহ যাত্রীদের ব্যবহার করতে হবে। তাদের স্মার্ট অ্যাপ থেকে ট্যাক্সি ডাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এরমাধ্যমে ওমরাহ যাত্রীরা মানসম্পন্ন পরিষেবা পাবেন এবং চালকের রেটিংও দেখতে পাবেন।
এছাড়াও কর্তৃপক্ষ ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য নগদ অর্থের পরিবর্তে ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করার গুরুত্বের ওপরও জোর দিয়েছে।

সৌদি আরবের মক্কায় পৌঁছানোর পর ওমরাহ যাত্রীদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত যান ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ওমরাহযাত্রীদের সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ঝুঁকি এড়াতে তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত পরিবহনে চড়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, বৈধতার স্পষ্ট চিহ্ন বহন করে এমন যানবাহন ওমরাহ যাত্রীদের ব্যবহার করতে হবে। তাদের স্মার্ট অ্যাপ থেকে ট্যাক্সি ডাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এরমাধ্যমে ওমরাহ যাত্রীরা মানসম্পন্ন পরিষেবা পাবেন এবং চালকের রেটিংও দেখতে পাবেন।
এছাড়াও কর্তৃপক্ষ ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য নগদ অর্থের পরিবর্তে ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করার গুরুত্বের ওপরও জোর দিয়েছে।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।