
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আবুধাবি বিএনপির শাখার উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) আবুধাবির একটি রেস্টুরেন্টের হল রুমে এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সারোয়ার আলম ভুট্টো।

বিএনপির আবুধাবি শাখার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আমানুল কিবরিয়া ও শ্রমিক দলের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলুর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য জাকির হোসেন খতিব। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির আল-আইন শাখার সাবেক সভাপতি ও ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী রফিকুল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আল-আইন শাখার সভাপতি প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম, আবুধাবি শাখার সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল, আবুধাবি শাখার সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ জাবেদ, জিয়া পরিষদের আবুধাবি শাখার সাবেক সভাপতি আমির হামজা, সাবেক সহসভাপতি বাচা মিঞা , আল-আইন শাখার সহসভাপতি মোহাম্মদ মানসুর আলম, মিরফা শাখার সভাপতি সোলাইমান ও সহসভাপতি মোহাম্মদ কবির আহমদ।

অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ নুর আলম, আকরাম এইচ ভূঁইয়া, সাহাব উদ্দিন, জিয়াউর রহমান ও প্রকৌশলী লুৎফর রহমান।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মনিরুল ইসলাম আনার, জাহাঙ্গীর আলম সিকদার, ইস্কান্দর হোসেন রুমন, জামাল উদ্দিন, ফিরোজ খান, মোহাম্মদ সোহেল, মারোয়ান, আরিফ, আরজু, সাইদুল ইসলাম জাবেদ, শহিদুল ইসলাম শহীদ প্রমুখ।
আলোচনা শেষে হাফেজ বদিউল আলমের পরিচালনায় মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত, বিএনপির চেয়ারপারসনের খালেদা জিয়ার সুস্থতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্যসহ দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আবুধাবি বিএনপির শাখার উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) আবুধাবির একটি রেস্টুরেন্টের হল রুমে এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সারোয়ার আলম ভুট্টো।

বিএনপির আবুধাবি শাখার সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আমানুল কিবরিয়া ও শ্রমিক দলের আবুধাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন বাবলুর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য জাকির হোসেন খতিব। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির আল-আইন শাখার সাবেক সভাপতি ও ইউএই শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য প্রকৌশলী রফিকুল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আল-আইন শাখার সভাপতি প্রকৌশলী মফিজুল ইসলাম, আবুধাবি শাখার সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোহেল, আবুধাবি শাখার সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ জাবেদ, জিয়া পরিষদের আবুধাবি শাখার সাবেক সভাপতি আমির হামজা, সাবেক সহসভাপতি বাচা মিঞা , আল-আইন শাখার সহসভাপতি মোহাম্মদ মানসুর আলম, মিরফা শাখার সভাপতি সোলাইমান ও সহসভাপতি মোহাম্মদ কবির আহমদ।

অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ নুর আলম, আকরাম এইচ ভূঁইয়া, সাহাব উদ্দিন, জিয়াউর রহমান ও প্রকৌশলী লুৎফর রহমান।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মনিরুল ইসলাম আনার, জাহাঙ্গীর আলম সিকদার, ইস্কান্দর হোসেন রুমন, জামাল উদ্দিন, ফিরোজ খান, মোহাম্মদ সোহেল, মারোয়ান, আরিফ, আরজু, সাইদুল ইসলাম জাবেদ, শহিদুল ইসলাম শহীদ প্রমুখ।
আলোচনা শেষে হাফেজ বদিউল আলমের পরিচালনায় মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত, বিএনপির চেয়ারপারসনের খালেদা জিয়ার সুস্থতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্যসহ দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।