
প্রতিবেদক, বিডিজেন

টেস্ট ক্রিকেটে একটি বড় অধ্যায়েরই পরিসমাপ্তি ঘটল আজ। ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি আজ টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছন। নিজের ইনস্টাগ্রামে তিনি একটি পোস্টে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলেছিলেন। কোহলি এখন থেকে শুধু খেলবেন ৫০ ওভারের ক্রিকেট।
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে অবসর ঘোষণায় কোহলি লিখেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবার ব্যাগি ব্লু (ভারতীয় দলের গাঢ় নীল টেস্ট ক্যাপ) পরেছিলাম আজ থেকে ১৪ বছর আগে। সত্যি বলতে এই ফরম্যাট আমাকে কোথায় টেনে নিয়ে যাবে, সেসব আদৌ মাথায় ছিল না। কল্পনাও করিনি কিছু। টেস্ট ক্রিকেট আমার পরীক্ষায় ফেলেছে, আবার অনেক কিছু শিখিয়েছে, যা সারাজীবন বয়ে বেড়াব।’
কোহলির টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ২০১১ সালের জুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ১২৩টি টেস্ট খেলে কোহলি ৩০ সেঞ্চুরিসহ করেছেন ৯ হাজার ২৩০ রান। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কোহলি টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে নিজের উপলব্ধির কথা লিখেছেন, ‘সাদা পোশাকে খেলার মধ্য গভীর একটা ব্যক্তিগত অনুভূতি কাজ করে। এতে আছে নিঃশব্দ পরিশ্রম, দীর্ঘ সংগ্রাম, ছোট ছোট কিছু মুহূর্ত—এসব অনেকেরই চোখে পড়ে না। কিন্তু এগুলোই সেই অনুভূতি, যা সারা জীবন মনে গেঁথে থাকে একজন ক্রিকেটারের।’
টেস্ট থেকে কোহলির অবসর কিছুটা অপ্রত্যাশিতই। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) কিছু দিন আগেই নাকি টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায়ের কথা বলেছিলেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যম খবর দিয়েছে। বিসিসিআই কোহলিকে অবসরের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কথাই বলছে। তবে কোহলি এ ব্যাপারে মনস্থির করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইনস্টাগ্রাম পোস্টে, ‘টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে যাওয়াটা সহজ কোনো সিদ্ধান্ত নয়। তবে ভেবেচিন্তে এটিকে আমার কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত বলেই মনে হচ্ছে। আমি টেস্ট ক্রিকেটকে যা দিয়েছি, এটি আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে তারচেয়েও অনেক বেশি কিছু।’
ভারতীয় ক্রিকেটের ২৬৯তম টেস্ট ক্রিকেটার কোহলি। এটি যে তাঁর কাছে বিশেষ কিছু সেটি বলেছেন দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান, ‘আমি ভারতের ২৬৯তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয় নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। সবার প্রতি ভালোবাসা, যারা আমাকে সম্মানিত করেছেন। আমার টেস্ট ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে সব সময়ই আমার মুখে একটা হাসি ফুটে উঠবে।’

টেস্ট ক্রিকেটে একটি বড় অধ্যায়েরই পরিসমাপ্তি ঘটল আজ। ভারতের তারকা ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি আজ টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছন। নিজের ইনস্টাগ্রামে তিনি একটি পোস্টে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলেছিলেন। কোহলি এখন থেকে শুধু খেলবেন ৫০ ওভারের ক্রিকেট।
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে অবসর ঘোষণায় কোহলি লিখেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে প্রথমবার ব্যাগি ব্লু (ভারতীয় দলের গাঢ় নীল টেস্ট ক্যাপ) পরেছিলাম আজ থেকে ১৪ বছর আগে। সত্যি বলতে এই ফরম্যাট আমাকে কোথায় টেনে নিয়ে যাবে, সেসব আদৌ মাথায় ছিল না। কল্পনাও করিনি কিছু। টেস্ট ক্রিকেট আমার পরীক্ষায় ফেলেছে, আবার অনেক কিছু শিখিয়েছে, যা সারাজীবন বয়ে বেড়াব।’
কোহলির টেস্ট অভিষেক হয়েছিল ২০১১ সালের জুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ১২৩টি টেস্ট খেলে কোহলি ৩০ সেঞ্চুরিসহ করেছেন ৯ হাজার ২৩০ রান। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কোহলি টেস্ট ক্রিকেট নিয়ে নিজের উপলব্ধির কথা লিখেছেন, ‘সাদা পোশাকে খেলার মধ্য গভীর একটা ব্যক্তিগত অনুভূতি কাজ করে। এতে আছে নিঃশব্দ পরিশ্রম, দীর্ঘ সংগ্রাম, ছোট ছোট কিছু মুহূর্ত—এসব অনেকেরই চোখে পড়ে না। কিন্তু এগুলোই সেই অনুভূতি, যা সারা জীবন মনে গেঁথে থাকে একজন ক্রিকেটারের।’
টেস্ট থেকে কোহলির অবসর কিছুটা অপ্রত্যাশিতই। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) কিছু দিন আগেই নাকি টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায়ের কথা বলেছিলেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যম খবর দিয়েছে। বিসিসিআই কোহলিকে অবসরের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কথাই বলছে। তবে কোহলি এ ব্যাপারে মনস্থির করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইনস্টাগ্রাম পোস্টে, ‘টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে যাওয়াটা সহজ কোনো সিদ্ধান্ত নয়। তবে ভেবেচিন্তে এটিকে আমার কাছে সঠিক সিদ্ধান্ত বলেই মনে হচ্ছে। আমি টেস্ট ক্রিকেটকে যা দিয়েছি, এটি আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে তারচেয়েও অনেক বেশি কিছু।’
ভারতীয় ক্রিকেটের ২৬৯তম টেস্ট ক্রিকেটার কোহলি। এটি যে তাঁর কাছে বিশেষ কিছু সেটি বলেছেন দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান, ‘আমি ভারতের ২৬৯তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতায় ভরা হৃদয় নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। সবার প্রতি ভালোবাসা, যারা আমাকে সম্মানিত করেছেন। আমার টেস্ট ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে সব সময়ই আমার মুখে একটা হাসি ফুটে উঠবে।’
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।