
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া (সিইউএএএ) নতুন নির্বাহী কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে ‘অ্যানুয়াল ফ্যামিলি ডে ২০২৫’ অনুষ্ঠানের সফল আয়োজনের পর এই কমিটি গঠন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রাক্তন শিক্ষার্থী, তাদের পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, শিশুদের জন্য নানা আকর্ষণীয় কার্যক্রম, অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং এবং স্বেচ্ছাসেবক ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের সম্মাননা প্রদান।

আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার আগামী মেয়াদের জন্য নতুন নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন নেতৃত্ব সংগঠনকে আরও গতিশীল, অ্যালামনাইদের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা জোরদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহায়তায় কাজ করার এবং অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে সিইউএএএ–এর অবস্থান সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।

নবগঠিত নির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন—সভাপতি আব্দুস সাত্তার খাজা; সহসভাপতি মো. আলী আসগর (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য); সাধারণ সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী; সহকারী সাধারণ সম্পাদক সালিনা আক্তার; কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ খান; ইভেন্ট/সাংস্কৃতিক সম্পাদক শায়লা হক তানজু; প্রকাশনা সম্পাদক ফজলে এলাহী প্রধান; কার্যনির্বাহী সদস্য মো. রেজাউল আনোয়ার, এ এন এম নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, তৌফিকুল ওয়াহাব তৌফিক, পাবলিক অফিসার আজহারুল হক আরিফ।
এ ছাড়া পরামর্শক কমিটিতে দায়িত্ব পেয়েছেন চারজন সদস্য। তারা হলেন—শাহিদ ভূঁইয়া, মুস্তাফিজুর রহমান, শামসুজ্জামান শামীম (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য) ও আশিকুর রহমান (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য)।

নতুন নেতৃত্ব এক বিবৃতিতে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল অ্যালামনাই, স্বেচ্ছাসেবক, স্পনসর ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানিয়েছে, আগামীতেও তারা আরও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ, শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও পরিবারকেন্দ্রিক কমিউনিটি ইভেন্ট আয়োজন করবেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া তাদের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ঐক্য, সম্প্রীতি ও সেবার অঙ্গীকার নিয়ে।

অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া (সিইউএএএ) নতুন নির্বাহী কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) নিউ সাউথ ওয়েলথ রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে ‘অ্যানুয়াল ফ্যামিলি ডে ২০২৫’ অনুষ্ঠানের সফল আয়োজনের পর এই কমিটি গঠন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত প্রাক্তন শিক্ষার্থী, তাদের পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, শিশুদের জন্য নানা আকর্ষণীয় কার্যক্রম, অ্যালামনাই নেটওয়ার্কিং এবং স্বেচ্ছাসেবক ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের সম্মাননা প্রদান।

আনুষ্ঠানিক পর্ব শেষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার আগামী মেয়াদের জন্য নতুন নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।
নতুন নেতৃত্ব সংগঠনকে আরও গতিশীল, অ্যালামনাইদের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা জোরদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহায়তায় কাজ করার এবং অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে সিইউএএএ–এর অবস্থান সুদৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।

নবগঠিত নির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন—সভাপতি আব্দুস সাত্তার খাজা; সহসভাপতি মো. আলী আসগর (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য); সাধারণ সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী; সহকারী সাধারণ সম্পাদক সালিনা আক্তার; কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ খান; ইভেন্ট/সাংস্কৃতিক সম্পাদক শায়লা হক তানজু; প্রকাশনা সম্পাদক ফজলে এলাহী প্রধান; কার্যনির্বাহী সদস্য মো. রেজাউল আনোয়ার, এ এন এম নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, তৌফিকুল ওয়াহাব তৌফিক, পাবলিক অফিসার আজহারুল হক আরিফ।
এ ছাড়া পরামর্শক কমিটিতে দায়িত্ব পেয়েছেন চারজন সদস্য। তারা হলেন—শাহিদ ভূঁইয়া, মুস্তাফিজুর রহমান, শামসুজ্জামান শামীম (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য) ও আশিকুর রহমান (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য)।

নতুন নেতৃত্ব এক বিবৃতিতে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সকল অ্যালামনাই, স্বেচ্ছাসেবক, স্পনসর ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানিয়েছে, আগামীতেও তারা আরও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ, শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও পরিবারকেন্দ্রিক কমিউনিটি ইভেন্ট আয়োজন করবেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া তাদের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ঐক্য, সম্প্রীতি ও সেবার অঙ্গীকার নিয়ে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে