
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ দেওয়া হবে বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সত্য নয় ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদির।
গত শনিবার (২৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরের সময় এ–সংক্রান্ত কোনো চুক্তিও হয়নি, যা দেশটিকে ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে বাধ্য করত।
দেশটির গণমাধ্যমে দ্য স্টার ডটকম উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদিরের বিবৃতি ধরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
আবদ কাদির কেদাহ রাজ্যের শিল্প ও বিনিয়োগ, উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কমিটির চেয়ারম্যান হাইম হিলমান আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, যেকোনো বিষয়ে, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা–সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য করার আগে আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, আমি মালয়েশিয়ায় থাকা ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে “গ্র্যাজুয়েট পাস” দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছি—এ অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য।’
তিনি বলেন, মালয়েশিয়া এ বিষয়ে কোনো সম্মতি দেয়নি এবং এতে মানুষ উদ্বিগ্ন হওয়া নিয়ে হাইম হিলমান যে দাবি করেছেন—সেটি অত্যন্ত দায়িত্বহীন মন্তব্য।
মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন একাডেমিক পটভূমির মানুষ হিসেবে তাঁর উচিত সত্য, সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে কথা বলা; অনুমান বা অসতর্কভাবে তথ্য প্রচার করা উচিত নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুল তথ্য দিয়ে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করার জন্য কনটেন্ট তৈরির সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
এর আগে হাইম হিলমান তাঁর টিকটক অ্যাকাউন্টে ২ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেছিলেন, ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে।

মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে ‘গ্র্যাজুয়েট পাস’ দেওয়া হবে বলে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সত্য নয় ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন দেশটির উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদির।
গত শনিবার (২৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরের সময় এ–সংক্রান্ত কোনো চুক্তিও হয়নি, যা দেশটিকে ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে বাধ্য করত।
দেশটির গণমাধ্যমে দ্য স্টার ডটকম উচ্চশিক্ষাবিষয়কমন্ত্রী জাম্ব্রি আবদ কাদিরের বিবৃতি ধরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
আবদ কাদির কেদাহ রাজ্যের শিল্প ও বিনিয়োগ, উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কমিটির চেয়ারম্যান হাইম হিলমান আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, যেকোনো বিষয়ে, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা–সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য করার আগে আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, আমি মালয়েশিয়ায় থাকা ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে কাজের সুযোগ দিতে “গ্র্যাজুয়েট পাস” দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছি—এ অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুল ও অসত্য।’
তিনি বলেন, মালয়েশিয়া এ বিষয়ে কোনো সম্মতি দেয়নি এবং এতে মানুষ উদ্বিগ্ন হওয়া নিয়ে হাইম হিলমান যে দাবি করেছেন—সেটি অত্যন্ত দায়িত্বহীন মন্তব্য।
মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, একজন একাডেমিক পটভূমির মানুষ হিসেবে তাঁর উচিত সত্য, সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে কথা বলা; অনুমান বা অসতর্কভাবে তথ্য প্রচার করা উচিত নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুল তথ্য দিয়ে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করার জন্য কনটেন্ট তৈরির সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
এর আগে হাইম হিলমান তাঁর টিকটক অ্যাকাউন্টে ২ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেছিলেন, ১০ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে