logo
প্রবাসের খবর

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে ভোটারদের: ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক২৭ মার্চ ২০২৫
Copied!
যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে ভোটারদের: ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ভোটারকে অবশ্যই দেশটির নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) এমন একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। এই আদেশ অনুযায়ী, ভোট প্রদানে এখন থেকে পাসপোর্ট, জন্মসনদ বা কোনও নথির মাধ্যমে নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওয়াশিংটন থেকে এ খবর দিয়েছে।

এ ছাড়া, নির্বাচনের পরদিন ডাকযোগে প্রাপ্ত ব্যালট গণনার ক্ষেত্রে রাজ্যগুলোয় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বলা হয়েছে, এ আদেশ যেসব রাজ্য মেনে চলবে না, তাদের কাছ থেকে ফেডারেল তহবিল প্রত্যাহার করারও চেষ্টা করা হবে।

ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং ২০২০ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির কাছে তাঁর পরাজয়কে মিথ্যা দাবি করে চলেছেন। ট্রাম্পের দাবি, ২০২০ সালে নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি করে জিতেছিলেন জো বাইডেন।

ট্রাম্প ও তাঁর রিপাবলিকান মিত্ররা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে দেশটির নাগরিক নন, এমন ব্যাপক ভোট পড়ার ভিত্তিহীন দাবি করে আসছেন। এ ধরনের ভোট অবৈধ। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা খুব বেশি ঘটে না।

২০২৪ সালে বছর রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদ একটি বিল অনুমোদন করেছে, যাতে দেশটির নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন নিষিদ্ধ করবে। দেশটিতে এ ধরনের নিবন্ধন অবৈধ। প্রতিনিধি পরিষদে বিলটি অনুমোদিত হলেও ডেমোক্র্যাট–নিয়ন্ত্রিত সিনেটে সেটি পাস হয়নি। একই লক্ষ্য থেকে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন ট্রাম্প।

ভোটাধিকার নিয়ে কাজ করা গোষ্ঠীগুলো বলছে, সেফগার্ড আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি অ্যাক্টের মতো আইন রূপান্তর না হওয়া বিলগুলো ভোটারদের, বিশেষ করে পাসপোর্ট বা অন্য নথি না থাকা কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিদের ভোটারাধিকার থেকে বঞ্চিত করবে।

মঙ্গলবার নির্বাহী আদেশে সই করার সময় হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এই দেশ নির্বাচন, ভুয়া নির্বাচন আর খারাপ নির্বাচনের কারণে এতটাই অসুস্থ। আমরা কোনো না কোনোভাবে এটিকে ঠিক করে ফেলব।’

অবশ্য ট্রাম্পের এ আদেশ আইনি বাধার মুখে পড়বে। পাবলিক সিটিজেন নামের একটি ভোটাধিকার অধিকার সংস্থার কোপ্রেসিডেন্ট লিসা গিলবার্ট বলেন, এটি গণতন্ত্রের ওপর স্পষ্ট আক্রমণ ও একনায়কতান্ত্রিক ক্ষমতা দখল।

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় রিপাবলিকানরা ভোটদানের ওপর আরও বিধিনিষেধ আরোপ করার চেষ্টা করেছে। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা ডাকযোগে ভোট দেওয়া এবং আগাম ভোটদানের সুযোগকে সমর্থন করে ভোটদানকে আরও সহজ করার চেষ্টা করেছে।

পাবলিক সিটিজেনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ১৪ কোটি ৬০ লাখ লোকের পাসপোর্ট নেই। ব্রেনান সেন্টারের গবেষণায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৯ শতাংশ নাগরিক, যাঁরা ভোট দেওয়ার যোগ্য, অর্থাৎ ২ কোটি ১৩ লাখ মানুষের নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি নেই।

আরও দেখুন

আমিরাতে বিতাড়নের শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানি শিয়ারা, জমানো অর্থ–লাগেজ কিছুই নিতে পারছেন না

আমিরাতে বিতাড়নের শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানি শিয়ারা, জমানো অর্থ–লাগেজ কিছুই নিতে পারছেন না

পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

৪ দিন আগে

আমেরিকার গ্রিন কার্ড পেতে হলে ফিরতে হবে নিজ দেশে

আমেরিকার গ্রিন কার্ড পেতে হলে ফিরতে হবে নিজ দেশে

ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।

৬ দিন আগে

যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে আমিরাতের ভাবমূর্তি চ্যালেঞ্জের মুখে

যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে আমিরাতের ভাবমূর্তি চ্যালেঞ্জের মুখে

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।

১১ দিন আগে

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই প্রতিবন্ধী সন্তান হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই প্রতিবন্ধী সন্তান হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

১১ দিন আগে