
বিডিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলের ওপর সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রথমবারের মতো 'খাইবার' নামে একটি নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, 'দখলদার ইহুদিবাদী সরকারের অব্যাহত আগ্রাসনের' জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। অভিযানে স্মার্ট ড্রোনের পাশাপাশি একাধিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, 'এই অভিযানে প্রথমবারের মতো খাইবার মাল্টিপল-ওয়ারহেড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি আরও নিখুঁত, ধ্বংসাত্মক এবং কার্যকরভাবে আঘাত হানার জন্য চমৎকার কৌশল ব্যবহার করে।'
ইরনা জানিয়েছে, এই সমন্বিত হামলায় 'দখলকৃত অঞ্চলের উত্তর থেকে দক্ষিণ এবং ইহুদিবাদী সরকারের কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত' বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন ও ক্ষয়ক্ষতি
সোমবার সকালে ইরানের এই হামলার জেরে ইসরায়েলের উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে সাইরেন বেজে ওঠে। লেবানন ও গাজা সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকাগুলোতেও সতর্কতা জারি করা হয়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ৪০ মিনিটের মধ্যে ইরান থেকে চার দফায় ৬ বা ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে ইসরায়েল ইলেকট্রিক করপোরেশন জানিয়েছে, দক্ষিণ ইসরায়েলে একটি 'কৌশলগত অবকাঠামোর' কাছে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
এর প্রায় এক ঘণ্টা পর উত্তর ইসরায়েলে আবারও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা আকাশে প্রতিহত করা হয়েছে বলে আইডিএফ জানিয়েছে। এই ঘটনাতেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের ওপর সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রথমবারের মতো 'খাইবার' নামে একটি নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগের বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, 'দখলদার ইহুদিবাদী সরকারের অব্যাহত আগ্রাসনের' জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। অভিযানে স্মার্ট ড্রোনের পাশাপাশি একাধিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, 'এই অভিযানে প্রথমবারের মতো খাইবার মাল্টিপল-ওয়ারহেড ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এটি আরও নিখুঁত, ধ্বংসাত্মক এবং কার্যকরভাবে আঘাত হানার জন্য চমৎকার কৌশল ব্যবহার করে।'
ইরনা জানিয়েছে, এই সমন্বিত হামলায় 'দখলকৃত অঞ্চলের উত্তর থেকে দক্ষিণ এবং ইহুদিবাদী সরকারের কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত' বিভিন্ন কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন ও ক্ষয়ক্ষতি
সোমবার সকালে ইরানের এই হামলার জেরে ইসরায়েলের উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে সাইরেন বেজে ওঠে। লেবানন ও গাজা সীমান্তের নিকটবর্তী এলাকাগুলোতেও সতর্কতা জারি করা হয়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, ৪০ মিনিটের মধ্যে ইরান থেকে চার দফায় ৬ বা ৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এই হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তবে ইসরায়েল ইলেকট্রিক করপোরেশন জানিয়েছে, দক্ষিণ ইসরায়েলে একটি 'কৌশলগত অবকাঠামোর' কাছে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি শহরে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
এর প্রায় এক ঘণ্টা পর উত্তর ইসরায়েলে আবারও একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যা আকাশে প্রতিহত করা হয়েছে বলে আইডিএফ জানিয়েছে। এই ঘটনাতেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১১ দিন আগে