
মোহাম্মদ সাকিবুর রহমান খান, কানাডা থেকে

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও যুক্তরাষ্ট্রের পপ সুপারস্টার কেটি পেরিকে সম্প্রতি মন্ট্রিয়েলের একটি বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে রাতের খাবার খেতে দেখা গেছে। এ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই কানাডা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মহলে তাঁদের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
গত ২৮ জুলাই (সোমবার) কানাডার মন্ট্রিয়েলের লে প্লাটো এলাকায় অবস্থিত লে ভিওলোন নামের অভিজাত রেস্তোরাঁয় এই জুটিকে একান্তে সময় কাটাতে দেখা যায়। রেস্তোরাঁটি বর্তমানে কানাডার সেরা ১০০ রেস্তোরাঁর তালিকায় ১১তম স্থানে আছে।
বিশ্ববিখ্যাত বিনোদনমাধ্যম টিএমজেড তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, শুধু ডিনার নয়, ডিনারের আগে জাস্টিন ট্রুডো ও কেটি পেরিকে একসঙ্গে মন্ট্রিয়েলের জনপ্রিয় মাউন্ট রয়্যাল পার্কে হাঁটতেও দেখা যায়। রেস্তোরাঁয় তাঁদের একসঙ্গে ককটেল পান ও লবস্টারসহ একাধিক পদ শেয়ার করতে দেখা যায়।
আসলে কি প্রেমে পড়েছেন তাঁরা?
এ ঘটনায় নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে—তাঁরা কি প্রেমে পড়েছেন? যদিও তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের প্রকৃতি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি, তবে একান্তে সময় কাটানো এবং পরস্পরের প্রতি আন্তরিক ব্যবহারের কারণে অনেকেই ধারণা করছেন, এই সম্পর্ক বন্ধুত্বের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যদিকে এগোচ্ছে বলেই ধারণা।
উল্লেখ্য, জাস্টিন ট্রুডো ও তাঁর স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ার ট্রুডো ২০২৩ সালের আগস্টে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। দীর্ঘ ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর এই দম্পতির বিচ্ছেদ কানাডায় বেশ আলোচনার জন্ম দেয়।
অন্যদিকে ৪ জুলাই তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী জনপ্রিয় অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন কেটি পেরি।

কেটি পেরি কে?
কেটি পেরি হলেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পপ তারকা। তাঁর আসল নাম ক্যাথরিন এলিজাবেথ হাডসন। তিনি ১৯৮৪ সালের ২৫ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান্তা বারবারা শহরে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠেন। ২০০৮ সালে ‘আই কিসড এ গার্ল’ গানটির মাধ্যমে তিনি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন। এরপর ‘ফায়ার ওয়ার্ক’, ‘রোয়ার’, ‘ডার্ক হর্স’, ‘টিনএজ ড্রিম’সহ বহু হিট গান উপহার দিয়েছেন।
বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাস করেন এবং সেখান থেকেই তাঁর পেশাগত কাজ পরিচালনা করেন। পেশাগত কারণে বর্তমানে তিনি তাঁর ‘লাইফটাইমস ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে কানাডার বিভিন্ন শহরে পারফর্ম করছেন। গতকাল মঙ্গলবার তাঁর অটোয়ায় শো ছিল এবং সপ্তাহের শেষ দিকে তিনি মন্ট্রিয়েল ও কুইবেক সিটিতেও পারফর্ম করবেন।
যদিও এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না, তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পপ তারকার একান্ত সাক্ষাৎ এবং সম্পর্কের সম্ভাবনা জনমনে নানা কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। অনেকে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন, এই বন্ধুত্ব কি নতুন প্রেমের শুরু?
সময়ই বলে দেবে আদৌ তাঁরা একে অপরের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করছেন কি না। তবে এতটুকু নিশ্চিত, জাস্টিন ও কেটির এই নৈশভোজ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, কানাডার সবেক এই প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তাঁর স্ত্রী সোফির এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেনি, তবে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
*লেখক: কানাডাপ্রবাসী, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও যুক্তরাষ্ট্রের পপ সুপারস্টার কেটি পেরিকে সম্প্রতি মন্ট্রিয়েলের একটি বিলাসবহুল রেস্তোরাঁয় একসঙ্গে রাতের খাবার খেতে দেখা গেছে। এ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই কানাডা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মহলে তাঁদের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
গত ২৮ জুলাই (সোমবার) কানাডার মন্ট্রিয়েলের লে প্লাটো এলাকায় অবস্থিত লে ভিওলোন নামের অভিজাত রেস্তোরাঁয় এই জুটিকে একান্তে সময় কাটাতে দেখা যায়। রেস্তোরাঁটি বর্তমানে কানাডার সেরা ১০০ রেস্তোরাঁর তালিকায় ১১তম স্থানে আছে।
বিশ্ববিখ্যাত বিনোদনমাধ্যম টিএমজেড তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, শুধু ডিনার নয়, ডিনারের আগে জাস্টিন ট্রুডো ও কেটি পেরিকে একসঙ্গে মন্ট্রিয়েলের জনপ্রিয় মাউন্ট রয়্যাল পার্কে হাঁটতেও দেখা যায়। রেস্তোরাঁয় তাঁদের একসঙ্গে ককটেল পান ও লবস্টারসহ একাধিক পদ শেয়ার করতে দেখা যায়।
আসলে কি প্রেমে পড়েছেন তাঁরা?
এ ঘটনায় নতুন করে জল্পনা ছড়িয়েছে—তাঁরা কি প্রেমে পড়েছেন? যদিও তাঁদের মধ্যে সম্পর্কের প্রকৃতি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি, তবে একান্তে সময় কাটানো এবং পরস্পরের প্রতি আন্তরিক ব্যবহারের কারণে অনেকেই ধারণা করছেন, এই সম্পর্ক বন্ধুত্বের গণ্ডি পেরিয়ে অন্যদিকে এগোচ্ছে বলেই ধারণা।
উল্লেখ্য, জাস্টিন ট্রুডো ও তাঁর স্ত্রী সোফি গ্রেগোয়ার ট্রুডো ২০২৩ সালের আগস্টে বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। দীর্ঘ ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর এই দম্পতির বিচ্ছেদ কানাডায় বেশ আলোচনার জন্ম দেয়।
অন্যদিকে ৪ জুলাই তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী জনপ্রিয় অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেন কেটি পেরি।

কেটি পেরি কে?
কেটি পেরি হলেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পপ তারকা। তাঁর আসল নাম ক্যাথরিন এলিজাবেথ হাডসন। তিনি ১৯৮৪ সালের ২৫ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান্তা বারবারা শহরে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠেন। ২০০৮ সালে ‘আই কিসড এ গার্ল’ গানটির মাধ্যমে তিনি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন। এরপর ‘ফায়ার ওয়ার্ক’, ‘রোয়ার’, ‘ডার্ক হর্স’, ‘টিনএজ ড্রিম’সহ বহু হিট গান উপহার দিয়েছেন।
বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাস করেন এবং সেখান থেকেই তাঁর পেশাগত কাজ পরিচালনা করেন। পেশাগত কারণে বর্তমানে তিনি তাঁর ‘লাইফটাইমস ট্যুর’-এর অংশ হিসেবে কানাডার বিভিন্ন শহরে পারফর্ম করছেন। গতকাল মঙ্গলবার তাঁর অটোয়ায় শো ছিল এবং সপ্তাহের শেষ দিকে তিনি মন্ট্রিয়েল ও কুইবেক সিটিতেও পারফর্ম করবেন।
যদিও এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যায় না, তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পপ তারকার একান্ত সাক্ষাৎ এবং সম্পর্কের সম্ভাবনা জনমনে নানা কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। অনেকে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন, এই বন্ধুত্ব কি নতুন প্রেমের শুরু?
সময়ই বলে দেবে আদৌ তাঁরা একে অপরের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু করছেন কি না। তবে এতটুকু নিশ্চিত, জাস্টিন ও কেটির এই নৈশভোজ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
উল্লেখ্য, কানাডার সবেক এই প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তাঁর স্ত্রী সোফির এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটেনি, তবে তাঁরা আলাদা থাকছেন।
*লেখক: কানাডাপ্রবাসী, সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।