
বিডিজেন ডেস্ক

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনকে 'ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন' আখ্যা দিয়ে আগাম অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা। আনুষ্ঠানিক ফলাফল এখনো ঘোষণা না হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকার এই নির্বাচন ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান প্রথমে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
এক্স-এ লেখা এক পোস্টে জেলেনস্কি তাঁদের সাম্প্রতিক আলোচনার কথা স্মরণ করে ট্রাম্পের প্রতি উষ্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আমার দারুণ বৈঠক হয়েছে। সেসময় আমরা ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বিজয় পরিকল্পনা এবং ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও এক্স-এ একটি উদযাপনমূলক বার্তা পোস্ট করেছেন, ট্রাম্পের প্রত্যাশিত বিজয় সম্পর্কে তাঁর খুশির কথা উল্লেখ করেছে লিখেছেন, ‘প্রিয় ডোনাল্ড এবং মেলানিয়া ট্রাম্প, ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রত্যাবর্তনের জন্য অভিনন্দন! হোয়াইট হাউসে আপনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন আমেরিকার জন্য একটি নতুন সূচনা এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে মহান মৈত্রীর প্রতি একটি শক্তিশালী পুনর্ব্যক্ত এনে দেবে। এ এক বিশাল বিজয়!’
ডানপন্থী অবস্থানের জন্য পরিচিত হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবান এটিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রত্যাবর্তন’ বলে অভিহিত করেছেন। অরবান তাঁর পোস্টে যোগ করেছেন, ‘অভিনন্দন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’ বিশ্বের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় বিজয়!
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ ফরাসি ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘অভিনন্দন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আবার একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দিয়ে তিনি এক্সে লিখেছেন, পারস্পরিক বিশ্বাস সম্মান ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আরও শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আমরা চার বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করার জন্য প্রস্তুত।’
সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকারের দায়িত্ব নেওয়া লেবার পার্টি থেকে নবনির্বাচিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার, ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন- ‘নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন। সামনের বছরগুলোতে আমি আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মোদী লেখেন, ‘নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য বন্ধু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আন্তরিক অভিনন্দন। আপনি আপনার আগের মেয়াদের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে জয় পেয়েছেন। আমি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বিস্তৃত বৈশ্বিক এবং কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও জোরদার করতে আমাদের সহযোগিতা নবায়নের অপেক্ষায় রয়েছি। আসুন আমরা একসঙ্গে আমাদের জনগণের উন্নতির জন্য এবং বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করি।’

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনকে 'ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন' আখ্যা দিয়ে আগাম অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা। আনুষ্ঠানিক ফলাফল এখনো ঘোষণা না হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকার এই নির্বাচন ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান প্রথমে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
এক্স-এ লেখা এক পোস্টে জেলেনস্কি তাঁদের সাম্প্রতিক আলোচনার কথা স্মরণ করে ট্রাম্পের প্রতি উষ্ণ বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আমার দারুণ বৈঠক হয়েছে। সেসময় আমরা ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদারত্ব, বিজয় পরিকল্পনা এবং ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুও এক্স-এ একটি উদযাপনমূলক বার্তা পোস্ট করেছেন, ট্রাম্পের প্রত্যাশিত বিজয় সম্পর্কে তাঁর খুশির কথা উল্লেখ করেছে লিখেছেন, ‘প্রিয় ডোনাল্ড এবং মেলানিয়া ট্রাম্প, ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রত্যাবর্তনের জন্য অভিনন্দন! হোয়াইট হাউসে আপনার ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন আমেরিকার জন্য একটি নতুন সূচনা এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে মহান মৈত্রীর প্রতি একটি শক্তিশালী পুনর্ব্যক্ত এনে দেবে। এ এক বিশাল বিজয়!’
ডানপন্থী অবস্থানের জন্য পরিচিত হাঙ্গেরির ভিক্টর অরবান এটিকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রত্যাবর্তন’ বলে অভিহিত করেছেন। অরবান তাঁর পোস্টে যোগ করেছেন, ‘অভিনন্দন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।’ বিশ্বের জন্য একটি অতি প্রয়োজনীয় বিজয়!
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ ফরাসি ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘অভিনন্দন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আবার একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দিয়ে তিনি এক্সে লিখেছেন, পারস্পরিক বিশ্বাস সম্মান ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আরও শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আমরা চার বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করার জন্য প্রস্তুত।’
সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকারের দায়িত্ব নেওয়া লেবার পার্টি থেকে নবনির্বাচিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার, ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছেন। তিনি লিখেছেন- ‘নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন। সামনের বছরগুলোতে আমি আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে চাই।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মোদী লেখেন, ‘নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়ের জন্য বন্ধু ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আন্তরিক অভিনন্দন। আপনি আপনার আগের মেয়াদের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে জয় পেয়েছেন। আমি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বিস্তৃত বৈশ্বিক এবং কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও জোরদার করতে আমাদের সহযোগিতা নবায়নের অপেক্ষায় রয়েছি। আসুন আমরা একসঙ্গে আমাদের জনগণের উন্নতির জন্য এবং বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করি।’
রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৩ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে ট্রাম্প তার প্রকাশ্য বক্তব্যে ৮১ বার ‘কমিউনিজম’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
দলটির সমালোচকদের অভিযোগ, এএফডি বর্ণবাদী নীতি ও মনোভাবকে উৎসাহিত করে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, শহরের কেন্দ্রস্থল শেভচেঙ্কো বুলেভার্ডের একটি ভবনের ওপরের অংশে নিয়ন্ত্রণহীন আগুন জ্বলছে। অন্যদিকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবনের জানালা উড়ে গেছে এবং বহু গাড়ি ধ্বংস হয়েছে।