
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আগামী ১৮ নভেম্বর হোয়াইট হাউসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (৩ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এমন এক প্রেক্ষাপটে এই সফরে যাচ্ছেন, যখন সৌদি আরবকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিতে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প।
২০২০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কোর সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন ট্রাম্প। এই চুক্তির মাধ্যমে ওই দেশগুলো ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। সৌদি আরব অবশ্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পদক্ষেপ না হওয়ায় এখনো এই চুক্তিতে যোগ দিতে দ্বিধা প্রকাশ করেছে।
সম্প্রতি সিবিএসের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, তিনি বিশ্বাস করেন সৌদি আরব শেষ পর্যন্ত অ্যাকর্ডসে যোগ দেবে। ট্রাম্প ও মোহাম্মদ বিন সালমান আমেরিকা-সৌদি আরব প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কেও আলোচনা করতে পারেন।
আমেরিকার অস্ত্রের অন্যতম বড় ক্রেতা হলো সৌদি আরব। দুই দেশ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সৌদি আরব আমেরিকায় তেল সরবরাহ করে এবং ওয়াশিংটন দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এ বছরের মে মাসে ট্রাম্পের রিয়াদ সফরের সময় দেশটি সৌদি আরবের কাছে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করার বিষয়ে সম্মত হয়।

সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আগামী ১৮ নভেম্বর হোয়াইট হাউসে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (৩ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এমন এক প্রেক্ষাপটে এই সফরে যাচ্ছেন, যখন সৌদি আরবকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিতে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প।
২০২০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কোর সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন ট্রাম্প। এই চুক্তির মাধ্যমে ওই দেশগুলো ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। সৌদি আরব অবশ্য ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পদক্ষেপ না হওয়ায় এখনো এই চুক্তিতে যোগ দিতে দ্বিধা প্রকাশ করেছে।
সম্প্রতি সিবিএসের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, তিনি বিশ্বাস করেন সৌদি আরব শেষ পর্যন্ত অ্যাকর্ডসে যোগ দেবে। ট্রাম্প ও মোহাম্মদ বিন সালমান আমেরিকা-সৌদি আরব প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পর্কেও আলোচনা করতে পারেন।
আমেরিকার অস্ত্রের অন্যতম বড় ক্রেতা হলো সৌদি আরব। দুই দেশ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে শক্তিশালী সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সৌদি আরব আমেরিকায় তেল সরবরাহ করে এবং ওয়াশিংটন দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এ বছরের মে মাসে ট্রাম্পের রিয়াদ সফরের সময় দেশটি সৌদি আরবের কাছে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করার বিষয়ে সম্মত হয়।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে আমেরিকাকে সচেতন হতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, নিহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তবে পৃথকভাবে কতজন বিক্ষোভকারী বা কতজন নিরাপত্তা কর্মী মারা গেছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি দেননি।