
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকায় এখন থেকে সুবর্ণ যুগের সূচনা হয়েছে। আজ থেকে যুক্তরাষ্ট্র আরও উন্নতি করবে। সারা বিশ্বে আবার সম্মান অর্জন করবে। যুক্তরাষ্ট্রকে দেখে ঈর্ষা করবে সব দেশ। কাউকে আর আমাদের ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবনের রোটুন্ডায় শপথ নেওয়ার পর অভিষেক ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘সাম্প্রতিক নির্বাচনে জনগণ আমাকে ম্যান্ডেট দিয়েছে এখানে সংঘটিত হওয়া ভয়াবহ প্রতারণার ঘটনাগুলোকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেওয়ার জন্য। একই সঙ্গে জনগণকে তাদের আস্থা, তাদের সম্পদ, তাদের গণতন্ত্র এবং বস্তুত তাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার রায় দিয়েছে। এই মুহূর্ত থেকে আমেরিকার পতনের শেষ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা ও আমাদের জাতির মহান লক্ষ্যকে আর অস্বীকার করা হবে না। আমরা অবিলম্বে ন্যায়পরায়ণ, দক্ষতা ও আমেরিকার সরকারের প্রতি আনুগত্য ফিরিয়ে আনব।’
আজকের এই বিজয় সহজ ছিল না বলে অভিষেক ভাষণে উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যারা আমাদের থামাতে চেয়েছিলেন, তারা আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি আমার জীবনও কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন।’
‘মাত্র কয়েক মাস আগে, পেনসিলভানিয়ার একটি সুন্দর মাঠে একজন আততায়ীর বুলেট আমার কান বিদ্ধ করে চলে যায়। কিন্তু তখন আমি অনুভব করি এবং এখন সেই বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে যে একটি কারণে জীবন রক্ষা করা হয়েছিল। আমেরিকাকে আবার মহান করার জন্য ঈশ্বর আমার জীবন বাঁচিয়েছিলেন,’ যোগ করেন ডোনাল্ড টাম্প।
সূত্র: বিবিসি
আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকায় এখন থেকে সুবর্ণ যুগের সূচনা হয়েছে। আজ থেকে যুক্তরাষ্ট্র আরও উন্নতি করবে। সারা বিশ্বে আবার সম্মান অর্জন করবে। যুক্তরাষ্ট্রকে দেখে ঈর্ষা করবে সব দেশ। কাউকে আর আমাদের ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ওয়াশিংটন ডিসির ক্যাপিটল ভবনের রোটুন্ডায় শপথ নেওয়ার পর অভিষেক ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘সাম্প্রতিক নির্বাচনে জনগণ আমাকে ম্যান্ডেট দিয়েছে এখানে সংঘটিত হওয়া ভয়াবহ প্রতারণার ঘটনাগুলোকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেওয়ার জন্য। একই সঙ্গে জনগণকে তাদের আস্থা, তাদের সম্পদ, তাদের গণতন্ত্র এবং বস্তুত তাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়ার রায় দিয়েছে। এই মুহূর্ত থেকে আমেরিকার পতনের শেষ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাধীনতা ও আমাদের জাতির মহান লক্ষ্যকে আর অস্বীকার করা হবে না। আমরা অবিলম্বে ন্যায়পরায়ণ, দক্ষতা ও আমেরিকার সরকারের প্রতি আনুগত্য ফিরিয়ে আনব।’
আজকের এই বিজয় সহজ ছিল না বলে অভিষেক ভাষণে উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যারা আমাদের থামাতে চেয়েছিলেন, তারা আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি আমার জীবনও কেড়ে নিতে চেয়েছিলেন।’
‘মাত্র কয়েক মাস আগে, পেনসিলভানিয়ার একটি সুন্দর মাঠে একজন আততায়ীর বুলেট আমার কান বিদ্ধ করে চলে যায়। কিন্তু তখন আমি অনুভব করি এবং এখন সেই বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে যে একটি কারণে জীবন রক্ষা করা হয়েছিল। আমেরিকাকে আবার মহান করার জন্য ঈশ্বর আমার জীবন বাঁচিয়েছিলেন,’ যোগ করেন ডোনাল্ড টাম্প।
সূত্র: বিবিসি
আরও পড়ুন
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে