
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে একটি বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আবুধাবির কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (এডিএএফএসএ) আল দাফরা অঞ্চলের মাদিয়ান্ত জায়েদ নতুন শিল্প এলাকায় অবস্থিত চিটাগাং রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ টুডে এ খবর দিয়েছে।
গালফ টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের ২ নম্বর আইন এবং এর অধীনে জারিকৃত প্রবিধান লঙ্ঘনের দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জনসাধারণের স্বাস্থ্যের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এডিএএফএসএ বলেছে, ফুড কন্ট্রোল রিপোর্টে বলা হয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা বারবার লঙ্ঘন এবং এসব ভুলত্রুটি সংশোধনে ব্যর্থতার কারণেই রেস্তোরাঁটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক এই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি ছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রেস্তোরাঁটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ খাদ্যের জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ না করা পর্যন্ত প্রশাসনিক বন্ধের আদেশ বলবৎ থাকবে। এডিএএফএসএ আরও উল্লেখ করেছে, এই বন্ধ এবং পর্যবেক্ষণকৃত লঙ্ঘনগুলো আবুধাবি আমিরাতের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে পরিদর্শনেরই অংশ। সমস্ত স্থাপনা যাতে খাদ্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা মেনে চলে, তা নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের সুরক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এডিএএফএসএ জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে, যেকোনো খাদ্য লঙ্ঘন বা কোনো খাদ্যদ্রব্যের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো সন্দেহ থাকলে আবুধাবি সরকারের টোল ফ্রি নম্বর ৮০০৫৫৫-এ যোগাযোগ করে জানানোর জন্য। এতে পরিদর্শকেরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আবুধাবির সকল বাসিন্দার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে একটি বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আবুধাবির কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (এডিএএফএসএ) আল দাফরা অঞ্চলের মাদিয়ান্ত জায়েদ নতুন শিল্প এলাকায় অবস্থিত চিটাগাং রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দিয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ টুডে এ খবর দিয়েছে।
গালফ টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের ২ নম্বর আইন এবং এর অধীনে জারিকৃত প্রবিধান লঙ্ঘনের দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জনসাধারণের স্বাস্থ্যের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এডিএএফএসএ বলেছে, ফুড কন্ট্রোল রিপোর্টে বলা হয়েছে, খাদ্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা বারবার লঙ্ঘন এবং এসব ভুলত্রুটি সংশোধনে ব্যর্থতার কারণেই রেস্তোরাঁটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক এই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি ছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রেস্তোরাঁটি স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ খাদ্যের জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ না করা পর্যন্ত প্রশাসনিক বন্ধের আদেশ বলবৎ থাকবে। এডিএএফএসএ আরও উল্লেখ করেছে, এই বন্ধ এবং পর্যবেক্ষণকৃত লঙ্ঘনগুলো আবুধাবি আমিরাতের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার লক্ষ্যে পরিদর্শনেরই অংশ। সমস্ত স্থাপনা যাতে খাদ্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা মেনে চলে, তা নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের সুরক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এডিএএফএসএ জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে, যেকোনো খাদ্য লঙ্ঘন বা কোনো খাদ্যদ্রব্যের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো সন্দেহ থাকলে আবুধাবি সরকারের টোল ফ্রি নম্বর ৮০০৫৫৫-এ যোগাযোগ করে জানানোর জন্য। এতে পরিদর্শকেরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো আবুধাবির সকল বাসিন্দার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাকটিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা এতটাই বিভৎস যে বিস্তারিত প্রকাশের যোগ্য নয়।

বিপুল নগদ অর্থের মজুত থাকায় যুদ্ধজনিত অর্থনৈতিক অস্থিরতায় এখন পর্যন্ত বড় ধরনের চাকরি হারানো বা বিদেশি ব্যবসার ব্যাপক প্রস্থান দেখা যায়নি। তবে অচলাবস্থা যত দীর্ঘ এবং স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য যত ব্যাহত হবে, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগ আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ইউএইর ভাবমূর্তি তত বেশি ঝুঁকির মুখে পড়বে।
১০ দিন আগে