
শরীফুল আলম

যতকিছু অর্জন
ওখানে বর্জন
কেউ নয় কারও জন্য,
ত্যক্ত বিরক্ত আমি
তবুও হই ধন্য,
কত মন্দ
চলছে দ্বন্দ্ব
তবে কি আমি নগণ্য?
কত বঞ্চনা
তবুও করি তার বন্দনা
আমি নই পণ্য,
তুমি চতুর
তুমি শিকারি
মনে রেখ আমি নই ভিখারি,
এখানে ওখানে কত কানাকানি
সবি কি সত্য কাহিনি?
আমার অহংকার
আমার প্রেম, অপ্রেম কবিতা
তবুও তোমার নিরবতা,
সময় কভু যায় না ভুলে
শোধ নেয় সুদে মুলে,
লোকে কত কাহিনি কয়
আমি বলি ভুলবার নয়
পিরিতির কত সুখে পড়ি
সুখ কি ধরে রাখতে পারি?
পানসির কত যন্ত্রণা
উৎসুক যমুনা,
কত কথা মরে যায় প্রতিদিন
কল্পনাবিহীন
নৃতত্ত্ব কথা
তবে কি সকলই আমার ব্যথা?
মিহি শীতের রাতে
আওরঙ্গজেব মতো
পড়ে রই এক কাতে।
শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কনটেইনার করপোরেশন ইএসএ এবং কলামিস্ট ও কবি। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: [email protected]

যতকিছু অর্জন
ওখানে বর্জন
কেউ নয় কারও জন্য,
ত্যক্ত বিরক্ত আমি
তবুও হই ধন্য,
কত মন্দ
চলছে দ্বন্দ্ব
তবে কি আমি নগণ্য?
কত বঞ্চনা
তবুও করি তার বন্দনা
আমি নই পণ্য,
তুমি চতুর
তুমি শিকারি
মনে রেখ আমি নই ভিখারি,
এখানে ওখানে কত কানাকানি
সবি কি সত্য কাহিনি?
আমার অহংকার
আমার প্রেম, অপ্রেম কবিতা
তবুও তোমার নিরবতা,
সময় কভু যায় না ভুলে
শোধ নেয় সুদে মুলে,
লোকে কত কাহিনি কয়
আমি বলি ভুলবার নয়
পিরিতির কত সুখে পড়ি
সুখ কি ধরে রাখতে পারি?
পানসির কত যন্ত্রণা
উৎসুক যমুনা,
কত কথা মরে যায় প্রতিদিন
কল্পনাবিহীন
নৃতত্ত্ব কথা
তবে কি সকলই আমার ব্যথা?
মিহি শীতের রাতে
আওরঙ্গজেব মতো
পড়ে রই এক কাতে।
শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কনটেইনার করপোরেশন ইএসএ এবং কলামিস্ট ও কবি। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: [email protected]
বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের সামনেও সেই একই সুযোগ উন্মুক্ত। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন বাংলাদেশ যদি আঞ্চলিক কূটনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তা কেবল দেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি যুগান্তকারী সুযোগ হতে পারে।
রামিসার ঘটনায় মানুষ রাস্তায় নেমেছে এটি ইতিবাচক দিক। কারণ, জনসচেতনতা তৈরি করতে সামাজিক প্রতিবাদের বিকল্প নেই। রাষ্ট্র ও নীতিনির্ধারকদের জবাবদিহির মুখোমুখি করতেও এ ধরনের আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ।
আমি চুমুক দিই।/ কফির তেতো স্বাদে হঠাৎ বুঝি,/ সব দেশ মানচিত্রে থাকে না,/ কিছু দেশ থাকে মানুষের অপেক্ষায়,/ কিছু শহর জন্ম নেয়/ একটি স্পর্শহীন হাতের ভেতর।
ইতিহাস বলছে, সংখ্যাগুরুদের আধিপত্য ও সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন রাষ্ট্র ভাঙনের পথ তৈরি করতে পারে। এ কারণেই ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান হয়েছিল, আবার পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমানের সামনেও সেই একই সুযোগ উন্মুক্ত। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। নতুন বাংলাদেশ যদি আঞ্চলিক কূটনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তা কেবল দেশের জন্য নয়, গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জন্যই একটি যুগান্তকারী সুযোগ হতে পারে।
২ দিন আগে