
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বাংলাদেশের বেসরকারি ৩ এয়ারলাইনসের অন্যতম নভোএয়ার তাদের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে।
নভোএয়ারের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, 'আজ (শনিবার, ৩ মে) থেকে নভোএয়ারের ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।'
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তিনি আরও বলেন, 'আমাদের এয়ারক্রাফটগুলো বিক্রির চেষ্টা চলছিল। বিদেশি একটি ক্রেতাদল পরিদর্শনে আসবে। তাই ফ্লাইট পরিচালনা আপাতত বন্ধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে চালু হতেও পারে।'
বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল দীর্ঘ দিন থেকে ধুঁকতে থাকা নভোএয়ার বন্ধ হয়ে যাবে। সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল নতুন করে টিকেট বুকিং নেওয়া বন্ধ করে নভোএয়ার। তবে আবারও ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

বাংলাদেশের বেসরকারি ৩ এয়ারলাইনসের অন্যতম নভোএয়ার তাদের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে।
নভোএয়ারের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, 'আজ (শনিবার, ৩ মে) থেকে নভোএয়ারের ফ্লাইট পরিচালনা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।'
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে তিনি আরও বলেন, 'আমাদের এয়ারক্রাফটগুলো বিক্রির চেষ্টা চলছিল। বিদেশি একটি ক্রেতাদল পরিদর্শনে আসবে। তাই ফ্লাইট পরিচালনা আপাতত বন্ধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে চালু হতেও পারে।'
বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল দীর্ঘ দিন থেকে ধুঁকতে থাকা নভোএয়ার বন্ধ হয়ে যাবে। সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল নতুন করে টিকেট বুকিং নেওয়া বন্ধ করে নভোএয়ার। তবে আবারও ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।