
বিডিজেন ডেস্ক

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে।
খবর প্রথম আলোর।
এর আগে গতকাল শনিবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে, ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।
এদিকে শ্রীমঙ্গল শহর ও শহরের বাইরের এলাকাগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২ দিন আগেও তাপমাত্রা বেশি ছিল। হঠাৎ করে তাপমাত্রা নিচের দিকে নামায় শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। ২ দিন ধরে সন্ধ্যার পর প্রচুর ঠান্ডা অনুভূত হয়। ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা।
চা–বাগানগুলোতে শীত উপেক্ষা করে সকালে কাজে বের হতে দেখা যায় চা–শ্রমিকদের। এ ছাড়া, হাইল হাওরসংলগ্ন এলাকায় কৃষকেরা বোরো ধান আবাদ করে থাকেন। শীতের কারণে এ অঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষদের কাজ করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ভোর হতেই কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে বের হলেও তীব্র ঠান্ডা ও কুয়াশা তাদের কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা প্রথম আলোকে বলেন, চা–বাগানে শীত বেশি পড়েছে। মাঘের শেষ দিকে এসে তো শীত পড়বে বোঝা যায়নি। শ্রীমঙ্গলে শীত মৌসুমে চা–শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা বেশি কষ্ট পান। অন্য বছরের মতো এ বছর শীত মৌসুমে বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারের পক্ষ থেকে তেমন গরম কাপড় বিতরণ হয়নি।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শ্রীমঙ্গলে আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আগামীকালও এ রকম শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে, তবে তাপমাত্রা বাড়বে।
সূত্র: প্রথম আলো

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করে।
খবর প্রথম আলোর।
এর আগে গতকাল শনিবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল শ্রীমঙ্গলে, ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।
এদিকে শ্রীমঙ্গল শহর ও শহরের বাইরের এলাকাগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২ দিন আগেও তাপমাত্রা বেশি ছিল। হঠাৎ করে তাপমাত্রা নিচের দিকে নামায় শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। ২ দিন ধরে সন্ধ্যার পর প্রচুর ঠান্ডা অনুভূত হয়। ঠান্ডার সঙ্গে হিমেল বাতাসের কারণে বিপাকে পড়েন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষেরা।
চা–বাগানগুলোতে শীত উপেক্ষা করে সকালে কাজে বের হতে দেখা যায় চা–শ্রমিকদের। এ ছাড়া, হাইল হাওরসংলগ্ন এলাকায় কৃষকেরা বোরো ধান আবাদ করে থাকেন। শীতের কারণে এ অঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষদের কাজ করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ভোর হতেই কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে বের হলেও তীব্র ঠান্ডা ও কুয়াশা তাদের কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা প্রথম আলোকে বলেন, চা–বাগানে শীত বেশি পড়েছে। মাঘের শেষ দিকে এসে তো শীত পড়বে বোঝা যায়নি। শ্রীমঙ্গলে শীত মৌসুমে চা–শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা বেশি কষ্ট পান। অন্য বছরের মতো এ বছর শীত মৌসুমে বিভিন্ন সংগঠন ও সরকারের পক্ষ থেকে তেমন গরম কাপড় বিতরণ হয়নি।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শ্রীমঙ্গলে আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আগামীকালও এ রকম শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে, তবে তাপমাত্রা বাড়বে।
সূত্র: প্রথম আলো
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।