
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত সময়ের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, যেহেতু আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সব দলই একমত, তাই এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জাতীয় নির্বাচনের জন্যই এত দিনের সংগ্রাম, স্থানীয় নির্বাচনের জন্য নয়।
আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের একান্তে বৈঠক হয়।
এই বৈঠকের বিষয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বিএনপির ধারণা, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে গতকাল আলোচনা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ও সিইসি। বিএনপি মনে করছে, নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রস্তুতি সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নেওয়া সম্ভব। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা হয়তো তাঁর বার্তা সিইসিকে জানিয়েছেন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ধরে প্রস্তুতি নিতে। এটা আমাদের ধারণা। উভয় পক্ষ থেকে বার্তা এলে বিষয়টা স্পষ্ট হবে। নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’
এদিকে এদিন রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আগামী বছরের রমজানের আগেই নির্বাচন দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
তিনি বলেন, ‘রমজানের আগে দেশে নির্বাচন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করি। আর কোনো বিলম্ব নয়। নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। তবে লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের পর সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে। এখন আর ষড়যন্ত্রের সুযোগ নেই।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত সময়ের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, যেহেতু আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সব দলই একমত, তাই এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জাতীয় নির্বাচনের জন্যই এত দিনের সংগ্রাম, স্থানীয় নির্বাচনের জন্য নয়।
আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের একান্তে বৈঠক হয়।
এই বৈঠকের বিষয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বিএনপির ধারণা, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে গতকাল আলোচনা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ও সিইসি। বিএনপি মনে করছে, নির্বাচন-সংক্রান্ত প্রস্তুতি সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নেওয়া সম্ভব। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা হয়তো তাঁর বার্তা সিইসিকে জানিয়েছেন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ধরে প্রস্তুতি নিতে। এটা আমাদের ধারণা। উভয় পক্ষ থেকে বার্তা এলে বিষয়টা স্পষ্ট হবে। নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।’
এদিকে এদিন রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আগামী বছরের রমজানের আগেই নির্বাচন দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।
তিনি বলেন, ‘রমজানের আগে দেশে নির্বাচন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করি। আর কোনো বিলম্ব নয়। নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। তবে লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের পর সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে। এখন আর ষড়যন্ত্রের সুযোগ নেই।’
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।