
বিডিজেন ডেস্ক

দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম বুবলী আসছেন ব্যতিক্রমী একটি গানের মিউজিক ভিডিও নিয়ে। সম্প্রতি বিএফডিসিতে গানটির শুটিং শেষ হয়েছে।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
'ময়না' শিরোনামের গানটির ভিডিও পরিচালনা করেছেন তানিম রহমান অংশু। গানটির সুরকার কলকাতার আকাশ সেন। আগামী কিছুদিনের মধ্যে গানটি গানচিল মিউজিক থেকে প্রকাশিত হবে। গান সংশ্লিষ্ট অনেকেই দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
'ময়না' গানের মিউজিক ভিডিওর বাইরে শবনম বুবলী অভিনীত তিনটা সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সিনেমাগুলো হচ্ছে রাখাল সবুজ পরিচালিত সরকারি অনুদানের সিনেমা 'সর্দার বাড়ির খেলা', জাহিদ জুয়েলের পরিচালাতি 'পিনিক'। তৃতীয় সিনেমাটি হলো রাশেদা আক্তার পরিচালিত 'শাপলা শালুক'।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম বুবলী আসছেন ব্যতিক্রমী একটি গানের মিউজিক ভিডিও নিয়ে। সম্প্রতি বিএফডিসিতে গানটির শুটিং শেষ হয়েছে।
খবর দ্য ডেইলি স্টারের।
'ময়না' শিরোনামের গানটির ভিডিও পরিচালনা করেছেন তানিম রহমান অংশু। গানটির সুরকার কলকাতার আকাশ সেন। আগামী কিছুদিনের মধ্যে গানটি গানচিল মিউজিক থেকে প্রকাশিত হবে। গান সংশ্লিষ্ট অনেকেই দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
'ময়না' গানের মিউজিক ভিডিওর বাইরে শবনম বুবলী অভিনীত তিনটা সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সিনেমাগুলো হচ্ছে রাখাল সবুজ পরিচালিত সরকারি অনুদানের সিনেমা 'সর্দার বাড়ির খেলা', জাহিদ জুয়েলের পরিচালাতি 'পিনিক'। তৃতীয় সিনেমাটি হলো রাশেদা আক্তার পরিচালিত 'শাপলা শালুক'।
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।