
বিডিজেন ডেস্ক

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সিগাল পয়েন্টের ঝাউবাগানে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানি টিপুকে (৫৫) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তার বাড়ি খুলনার দৌলতপুরে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
খবর প্রথম আলোর।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোলাম রব্বানি সিগাল হোটেলের সামনে ঝাউবাগানের ভেতরে কাঠের তৈরি সেতুর পাশে হাঁটছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল যোগে ২ ব্যক্তি ঘটনাস্থলে এসে গোলাম রব্বানির মাথায় গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইজিবাইক (টমটম) চালক আবদুস সালাম (৩৮) বলেন, তিনি সিগাল হোটেলের দিকে ছিলেন। গুলির শব্দ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে বালুতে পড়ে গেছেন। দ্রুত তিনি ওই ব্যক্তিকে নিজের টমটমে তুলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ খান প্রথম আলোকে বলেন, নিহত গোলাম রব্বানি খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। সেখানকার পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তিনি জেনেছেন, গত ৫ আগস্ট (২০২৪) আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে গোলাম রব্বানি আত্মগোপন করেন। তিনি কখন কক্সবাজার এসেছেন, কোথায় ওঠেন এবং কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে, তার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। মাথায় গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গোলাম রব্বানি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমেছে পুলিশ। সৈকতের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সিগাল পয়েন্টের ঝাউবাগানে বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম রব্বানি টিপুকে (৫৫) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তার বাড়ি খুলনার দৌলতপুরে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
খবর প্রথম আলোর।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোলাম রব্বানি সিগাল হোটেলের সামনে ঝাউবাগানের ভেতরে কাঠের তৈরি সেতুর পাশে হাঁটছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেল যোগে ২ ব্যক্তি ঘটনাস্থলে এসে গোলাম রব্বানির মাথায় গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। পূর্বশত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ইজিবাইক (টমটম) চালক আবদুস সালাম (৩৮) বলেন, তিনি সিগাল হোটেলের দিকে ছিলেন। গুলির শব্দ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে বালুতে পড়ে গেছেন। দ্রুত তিনি ওই ব্যক্তিকে নিজের টমটমে তুলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ খান প্রথম আলোকে বলেন, নিহত গোলাম রব্বানি খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। সেখানকার পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তিনি জেনেছেন, গত ৫ আগস্ট (২০২৪) আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে গোলাম রব্বানি আত্মগোপন করেন। তিনি কখন কক্সবাজার এসেছেন, কোথায় ওঠেন এবং কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে, তার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। মাথায় গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গোলাম রব্বানি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমেছে পুলিশ। সৈকতের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।