
বিডিজেন ডেস্ক

নরসিংদী সদর উপজেলায় মো. হেলাল (৬০) নামের এক প্রবাসীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার চরাঞ্চল নজরপুর ইউনিয়নের বালুয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, আহত হেলাল উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের দিলারপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে। তিন যুগ ধরে তিনি সৌদি আরবে ছিলেন। এক মাস আগে ছুটিতে দেশে ফেরেন তিনি।
ভুক্তভোগীর স্বজনদের অভিযোগ, গত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জালাল সরকারকে সমর্থন না করায় হুমকি পেয়ে আসছিলেন তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা নরসিংদী শহরে বসবাস করেন। শনিবার সকালে হেলাল ও তাঁর ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম গ্রামে যান। বিকেলের দিকে মোটরসাইকেলে শহরে ফেরার সময় বালুয়াঘাট এলাকায় জালাল সরকারের লোকজন পথরোধ করে হেলালকে উপর্যুপরি পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় হেলালকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে নিয়ে স্বজনেরা ঢাকায় রওনা হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাহমুদুল কবির বাসার প্রথম আলোকে জানান, ওই ব্যক্তির হাত ও পায়ের ছয় জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত করা হয়েছে।
আহতের ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এলাকায় ঢুকলেই ১০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে, এই হুমকি দিয়ে আসছিলেন জালাল সরকারের লোকেরা। তিন যুগ ধরে আব্বা সৌদি আরবে ছিলেন। এক মাস আগে ছুটিতে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য মন ছটফট করছিল তাঁর। আজ (শনিবার) বাড়িতে গেলেন। আর ফেরার পথেই তাঁকে কুপিয়ে আহত করল জালাল সরকারের লোকেরা। আর ১৫ দিন পরেই তাঁর সৌদি আরবে ফেরার কথা ছিল।’
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জালাল সরকারের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কলা করা হলেও তিনি ধরেননি। জানতে চাইলে নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ঘটনা শুনেছেন। কিন্তু কোনো অভিযোগ পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: প্রথম আলো

নরসিংদী সদর উপজেলায় মো. হেলাল (৬০) নামের এক প্রবাসীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার চরাঞ্চল নজরপুর ইউনিয়নের বালুয়াঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, আহত হেলাল উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের দিলারপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে। তিন যুগ ধরে তিনি সৌদি আরবে ছিলেন। এক মাস আগে ছুটিতে দেশে ফেরেন তিনি।
ভুক্তভোগীর স্বজনদের অভিযোগ, গত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী জালাল সরকারকে সমর্থন না করায় হুমকি পেয়ে আসছিলেন তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা নরসিংদী শহরে বসবাস করেন। শনিবার সকালে হেলাল ও তাঁর ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম গ্রামে যান। বিকেলের দিকে মোটরসাইকেলে শহরে ফেরার সময় বালুয়াঘাট এলাকায় জালাল সরকারের লোকজন পথরোধ করে হেলালকে উপর্যুপরি পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেন।
স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় হেলালকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে নিয়ে স্বজনেরা ঢাকায় রওনা হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মাহমুদুল কবির বাসার প্রথম আলোকে জানান, ওই ব্যক্তির হাত ও পায়ের ছয় জায়গায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত করা হয়েছে।
আহতের ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এলাকায় ঢুকলেই ১০ লাখ টাকা চাঁদা দিতে হবে, এই হুমকি দিয়ে আসছিলেন জালাল সরকারের লোকেরা। তিন যুগ ধরে আব্বা সৌদি আরবে ছিলেন। এক মাস আগে ছুটিতে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য মন ছটফট করছিল তাঁর। আজ (শনিবার) বাড়িতে গেলেন। আর ফেরার পথেই তাঁকে কুপিয়ে আহত করল জালাল সরকারের লোকেরা। আর ১৫ দিন পরেই তাঁর সৌদি আরবে ফেরার কথা ছিল।’
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী জালাল সরকারের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কলা করা হলেও তিনি ধরেননি। জানতে চাইলে নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, ঘটনা শুনেছেন। কিন্তু কোনো অভিযোগ পাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।