
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সপরিবারের ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনসের নিয়মিত ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে ফ্লাইটটি। যাত্রাবিরতি শেষে সিলেট থেকে সোয়া ১১টার দিকে ফের রওনা দেয় উড়োজাহাজটি।
এর আগে বুধবার বাংলাদেশ সময় বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫ মিনিটে সপরিবারে লন্ডনের নিজ বাসা ত্যাগ করেন তারেক রহমান। রাত ১০টা ১৮ মিনিটে তিনি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হবে। এসময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষায় থাকবেন।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হবে। এসময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষায় থাকবেন।
বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ রজনীগন্ধায় অবস্থান শেষে তারেক রহমান সড়কপথে কুড়িল হয়ে ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করবেন।
৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে তারেক রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশানের বাসভবনে যাবেন।
এদিকে, দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং সর্বসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, কৌতূহল ও আবেগের সঞ্চার হয়েছে।
আলোচিত ১/১১ সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। রিমান্ডে থাকাকালীন তার ওপর চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হন। ১৮ মাস কারাভোগের পরে লন্ডনে যান চিকিৎসার জন্য। এরপর থেকে তিনি আর দেশে ফেরেননি।

সপরিবারের ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনসের নিয়মিত ফ্লাইটটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে ফ্লাইটটি। যাত্রাবিরতি শেষে সিলেট থেকে সোয়া ১১টার দিকে ফের রওনা দেয় উড়োজাহাজটি।
এর আগে বুধবার বাংলাদেশ সময় বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫ মিনিটে সপরিবারে লন্ডনের নিজ বাসা ত্যাগ করেন তারেক রহমান। রাত ১০টা ১৮ মিনিটে তিনি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হবে। এসময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষায় থাকবেন।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রটোকল ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা হবে। এসময় বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মীরা বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষায় থাকবেন।
বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ রজনীগন্ধায় অবস্থান শেষে তারেক রহমান সড়কপথে কুড়িল হয়ে ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে যাবেন। সেখানে তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন এবং দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করবেন।
৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে তারেক রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা তিনি চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশানের বাসভবনে যাবেন।
এদিকে, দীর্ঘদিন পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং সর্বসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ, কৌতূহল ও আবেগের সঞ্চার হয়েছে।
আলোচিত ১/১১ সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৭ মার্চ গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। রিমান্ডে থাকাকালীন তার ওপর চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হন। ১৮ মাস কারাভোগের পরে লন্ডনে যান চিকিৎসার জন্য। এরপর থেকে তিনি আর দেশে ফেরেননি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।