
বিডিজেন ডেস্ক

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয়িশহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
খবর রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাসসের।
প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
অমর একুশের ঐতিহাসিক গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি বাজানোর সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ধীরগতিতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বেদির দিকে এগিয়ে যান।

রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৮ মিনিটে শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ উপস্থিত সবাই দু’হাত তুলে ৯০ ও ২৪ এর আন্দোলনের শহীদসহ ভাষা শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। একইসঙ্গে শহিদ জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্যও দোয়া করা হয়। এ ছাড়া, দেশ ও জনগণের কল্যাণ ও শান্তি কামনা করা হয়।
এ সময় মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী. সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমসহ মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নিয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পাশাপাশি শহিদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
পরে ১২ টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহিদ মিনার ত্যাগ করেন। তাকে বিদায় জানান ঢাকা বিশ্ববদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান এবং আয়োজন কমিটির সমন্বয়ক মো. মোর্শেদ হাসান খান।
পরে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
এরপর জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এরপর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তকরে দেওয়া হয়। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ খালি পায়ে, হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের আবহে শহিদ মিনারে আসেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্মরণে তারা শ্রদ্ধা জানান।

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয়িশহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
খবর রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা বাসসের।
প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
অমর একুশের ঐতিহাসিক গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি বাজানোর সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ধীরগতিতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বেদির দিকে এগিয়ে যান।

রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৮ মিনিটে শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ উপস্থিত সবাই দু’হাত তুলে ৯০ ও ২৪ এর আন্দোলনের শহীদসহ ভাষা শহিদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন। একইসঙ্গে শহিদ জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্যও দোয়া করা হয়। এ ছাড়া, দেশ ও জনগণের কল্যাণ ও শান্তি কামনা করা হয়।
এ সময় মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী. সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমসহ মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নিয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পাশাপাশি শহিদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
পরে ১২ টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহিদ মিনার ত্যাগ করেন। তাকে বিদায় জানান ঢাকা বিশ্ববদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান এবং আয়োজন কমিটির সমন্বয়ক মো. মোর্শেদ হাসান খান।
পরে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
এরপর জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এরপর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্তকরে দেওয়া হয়। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ খালি পায়ে, হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের আবহে শহিদ মিনারে আসেন। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহিদদের স্মরণে তারা শ্রদ্ধা জানান।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।