
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বিশ্বের ২৫টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এনআরবি গ্লোবাল কনভেনশন–২০২৫। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এই কনভেনশনের উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মাদ তৌহিদ হোসেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ধরে রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে এনআরবি আরও শক্তিশালী অবদান রাখবেন বলেও আশাবাদ তিনি।
দিনব্যাপী কনভেনশনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিনিয়োগসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একাধিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ প্যানেলিস্টরা নিজ নিজ ক্ষেত্রের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
এনআরবি ওয়ার্ল্ডের প্রতিষ্ঠাতা এনামলু হক এনাম বলেন, ”এবারের এনআরবি কনভেনশনের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশ ও প্রবাসের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করা। আর বিষয়টি আমরা দ্বিমুখী সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। প্রবাসে যারা বড় ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা আছেন, আমরা যেমন তাদের দেশে বিনিয়োগ করার বিষয়ে উৎসাহিত করার প্রয়াস চালাবো। পাশাপাশি বিভিন্ন সেক্টরের দক্ষ প্রবাসী পেশাজীবীরা যাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের কাজে লাগাতে পারেন সেই চেষ্টাও অব্যাহত থাকবে।‘’
আয়োজক সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুর, এনআরবি ফ্যামিলি সাপোর্টের চেয়ারম্যান জলিল খানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
কনভেনশন বাস্তবায়নে সহযোগী হিসেবে ছিল এনআরবি ওয়ার্ল্ড, এনআরবি ফ্যামিলি সাপোর্ট ও বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন।

বিশ্বের ২৫টি দেশের প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের অংশগ্রহণে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এনআরবি গ্লোবাল কনভেনশন–২০২৫। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে এই কনভেনশনের উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মাদ তৌহিদ হোসেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ধরে রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে এনআরবি আরও শক্তিশালী অবদান রাখবেন বলেও আশাবাদ তিনি।
দিনব্যাপী কনভেনশনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও বিনিয়োগসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একাধিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ প্যানেলিস্টরা নিজ নিজ ক্ষেত্রের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
এনআরবি ওয়ার্ল্ডের প্রতিষ্ঠাতা এনামলু হক এনাম বলেন, ”এবারের এনআরবি কনভেনশনের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশ ও প্রবাসের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করা। আর বিষয়টি আমরা দ্বিমুখী সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। প্রবাসে যারা বড় ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তা আছেন, আমরা যেমন তাদের দেশে বিনিয়োগ করার বিষয়ে উৎসাহিত করার প্রয়াস চালাবো। পাশাপাশি বিভিন্ন সেক্টরের দক্ষ প্রবাসী পেশাজীবীরা যাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের কাজে লাগাতে পারেন সেই চেষ্টাও অব্যাহত থাকবে।‘’
আয়োজক সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুর, এনআরবি ফ্যামিলি সাপোর্টের চেয়ারম্যান জলিল খানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
কনভেনশন বাস্তবায়নে সহযোগী হিসেবে ছিল এনআরবি ওয়ার্ল্ড, এনআরবি ফ্যামিলি সাপোর্ট ও বিজনেস আমেরিকা ম্যাগাজিন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া খবরের ‘বন্যা ও পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি’ ছড়ানো হয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতিতে অটল। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা শেষে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তিউনিশিয়া উপকূলে পৌঁছানোর আগেই নৌকাটি ডুবে গেলে ৮ বাংলাদেশি নাগরিক মারা যান। তারা হলেন সজল বৈরাগী, মামুন শেখ, নয়ন বিশ্বাস, কাজী সজিব, কায়সার খলিফা, মো. রিফাত শেখ, রাসেল শেখ এবং ইমরুল কায়েস আপন।
মধ্যপ্রাচ্যগামী বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা-সংক্রান্ত প্রতারণা থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং নিরাপদ ও স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। সেবাটি এরই মধ্যে চালু হয়েছে এবং ১৬৭৬৮ নম্বরে ফোন করে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।