
প্রতিবেদক, বিডিজেন

অভিনয়ের চেনা পথ থেকে বের হয়ে একদম ভিন্ন পথে আফরান নিশো এবার ঈদের সিনেমার টাইটেল ট্র্যাকে কণ্ঠ দিয়েছেন। বুধবার (২৬ মার্চ) 'দাগি' সিনেমার গানটি অনলাইনে প্রকাশ পেয়েছে।
রাসেল মাহমুদের কথায়, গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আরাফাত মহসীন। গানে মূলত নিধির সঙ্গে কিছু অংশ গেয়েছেন নিশো।
গানের কথা—'তোমাদের চোখে দাগি/সমাজের চোখে দাগি/যতবার খুশি মারো, তত বারবার জাগি'।
নিশো বলেন, 'এটা আমার জন্য এক রকম সারপ্রাইজই ছিল। প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল একদিন আমাকে গানটির একটা ডেমো ভার্সন শুনিয়ে জানতে চাইলেন, কেমন লেগেছে। আমি বললাম, ক্যাচি অ্যান্ড পাওয়ারফুল।'
‘এক সময় আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়, গানটিতে আমি কণ্ঠ দিলে কেমন হয়? গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার কারণগুলো আমার বেশ যৌক্তিক মনে হয়েছে বলেই রাজি হয়েছি। পরে আরও কিছু সংযোজন-বিয়োজনের পর গানটিতে ভয়েস দিই,' বলেন তিনি।
শিহাব শাহীন পরিচালিত 'দাগি' সিনেমার আরও অভিনয় করেছেন তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতু প্রমুখ।

অভিনয়ের চেনা পথ থেকে বের হয়ে একদম ভিন্ন পথে আফরান নিশো এবার ঈদের সিনেমার টাইটেল ট্র্যাকে কণ্ঠ দিয়েছেন। বুধবার (২৬ মার্চ) 'দাগি' সিনেমার গানটি অনলাইনে প্রকাশ পেয়েছে।
রাসেল মাহমুদের কথায়, গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন আরাফাত মহসীন। গানে মূলত নিধির সঙ্গে কিছু অংশ গেয়েছেন নিশো।
গানের কথা—'তোমাদের চোখে দাগি/সমাজের চোখে দাগি/যতবার খুশি মারো, তত বারবার জাগি'।
নিশো বলেন, 'এটা আমার জন্য এক রকম সারপ্রাইজই ছিল। প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল একদিন আমাকে গানটির একটা ডেমো ভার্সন শুনিয়ে জানতে চাইলেন, কেমন লেগেছে। আমি বললাম, ক্যাচি অ্যান্ড পাওয়ারফুল।'
‘এক সময় আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়, গানটিতে আমি কণ্ঠ দিলে কেমন হয়? গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার কারণগুলো আমার বেশ যৌক্তিক মনে হয়েছে বলেই রাজি হয়েছি। পরে আরও কিছু সংযোজন-বিয়োজনের পর গানটিতে ভয়েস দিই,' বলেন তিনি।
শিহাব শাহীন পরিচালিত 'দাগি' সিনেমার আরও অভিনয় করেছেন তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু, এ কে আজাদ সেতু প্রমুখ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।