
বিডিজেন ডেস্ক

কয়েক দিন পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার কথা ছিল সাইফুল ইসলামের (২৮)। কর্মস্থলে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আত্মীয়স্বজনের জন্য কেনাকাটা করতে আরেক সহকর্মীকে নিয়ে গাড়িতে করে শহরে যাচ্ছিলেন। পথে উটের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে গাড়ি উল্টে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ মে) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে দেশটির রাজধানী রিয়াদের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইফুল মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের পূর্ব বেলাগাঁও এলাকার বাসিন্দা শারজান মিয়ার ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সাইফুল সবার বড় ছিলেন।উটের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায় সাইফুলদের বহনকারী গাড়িটি। পরে পুলিশ গিয়ে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে।
সাইফুলদের আত্মীয় পূর্ব বেলাগাঁওয়ের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম গতকাল রাত সোয়া ৯টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল প্রায় তিন বছর আগে সৌদি আরবে যান। সেখানে রিয়াদ শহরের কাছে একটি গ্রামে মোরগের খামারে শ্রমিকের কাজ করতেন। সৌদি আরব যাওয়ার পর তিনি আর দেশে ফেরেননি। সম্প্রতি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান তাঁকে তিন মাসের ছুটি দেয়। আগামী ৫ জুন তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল। তিনি পরিবারের বড় ছেলে ছিলেন। ছুটিতে বাড়িতে এলে স্বজনেরা তাঁকে বিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করেছিলেন।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, গতকাল সাইফুলের সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। এ সুযোগে আত্মীয়স্বজনের পছন্দের জিনিস কিনতে বাবলু মিয়া নামের এক সহকর্মীকে নিয়ে পণ্য বহনকারী একটি ট্রাকে করে রিয়াদ শহরে রওনা দেন। পথে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি উটের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এতে সাইফুল ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন বাবলু ও পাকিস্তানি গাড়িচালক। পুলিশ গিয়ে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে। সাইফুলের লাশ রিয়াদের একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত বাবলুর বাড়ি পার্শ্ববর্তী গ্রাম পশ্চিম বেলাগাঁওয়ে। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার দিকে স্বজনেরা সাইফুলের মৃত্যুর খবর পান।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাইফুল বিদেশে যাওয়ার আগে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সূত্র: প্রথম আলো

কয়েক দিন পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার কথা ছিল সাইফুল ইসলামের (২৮)। কর্মস্থলে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় আত্মীয়স্বজনের জন্য কেনাকাটা করতে আরেক সহকর্মীকে নিয়ে গাড়িতে করে শহরে যাচ্ছিলেন। পথে উটের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে গাড়ি উল্টে ঘটনাস্থলেই তিনি প্রাণ হারান।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ মে) সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে দেশটির রাজধানী রিয়াদের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইফুল মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের পূর্ব বেলাগাঁও এলাকার বাসিন্দা শারজান মিয়ার ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সাইফুল সবার বড় ছিলেন।উটের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায় সাইফুলদের বহনকারী গাড়িটি। পরে পুলিশ গিয়ে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে।
সাইফুলদের আত্মীয় পূর্ব বেলাগাঁওয়ের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম গতকাল রাত সোয়া ৯টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল প্রায় তিন বছর আগে সৌদি আরবে যান। সেখানে রিয়াদ শহরের কাছে একটি গ্রামে মোরগের খামারে শ্রমিকের কাজ করতেন। সৌদি আরব যাওয়ার পর তিনি আর দেশে ফেরেননি। সম্প্রতি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান তাঁকে তিন মাসের ছুটি দেয়। আগামী ৫ জুন তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল। তিনি পরিবারের বড় ছেলে ছিলেন। ছুটিতে বাড়িতে এলে স্বজনেরা তাঁকে বিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করেছিলেন।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, গতকাল সাইফুলের সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। এ সুযোগে আত্মীয়স্বজনের পছন্দের জিনিস কিনতে বাবলু মিয়া নামের এক সহকর্মীকে নিয়ে পণ্য বহনকারী একটি ট্রাকে করে রিয়াদ শহরে রওনা দেন। পথে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি উটের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এতে সাইফুল ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন বাবলু ও পাকিস্তানি গাড়িচালক। পুলিশ গিয়ে হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে। সাইফুলের লাশ রিয়াদের একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহত বাবলুর বাড়ি পার্শ্ববর্তী গ্রাম পশ্চিম বেলাগাঁওয়ে। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার দিকে স্বজনেরা সাইফুলের মৃত্যুর খবর পান।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাইফুল বিদেশে যাওয়ার আগে এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁর অকালমৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।