
বিডিজেন ডেস্ক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অবদান বা ‘লেগাসি’ নিয়ে বিতর্ক তত প্রকট হচ্ছে বলে এক বিশ্লেষণে মন্তব্য করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ঢাকা থেকে লেখা ওই বিশ্লেষণে আল জারিরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব নেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলছে, ইউনূস কি একজন দক্ষ পরিচালক ছিলেন যিনি একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছেন, নাকি তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রত্যাশিত কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছেন?
আল জাজিরা লিখেছে, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের কাছে মুহাম্মদ ইউনূসের বিশ্বজোড়া খ্যাতি এবং দেশে তার সুনাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “সেই মুহূর্তে আমাদের এমন কাউকে দরকার ছিল যিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। বিকল্প নিয়ে যখন আলোচনা করছিলাম, তখন ইউনূস ছাড়া আর কাউকে খুঁজে পাইনি।”
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সামরিক বাহিনীর মধ্যে মুহাম্মদ ইউনূসের নিয়োগ নিয়ে ‘কিছুটা দ্বিধা ছিল’।
আল জাজিরা লিখেছে, যারা মুহাম্মদ ইউনূসকে সমর্থন করেছিলেন, এখন তাদের মধ্যেও কিছুটা হতাশা এবং সুযোগ হারানোর গ্লানি কাজ করছে। আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার চেয়েছিলাম। সেটি সম্ভব হয়নি। তবুও আমরা রাষ্ট্রের একটি কঠোর সংস্কার আশা করেছিলাম।”
নাহিদ ইসলাম বলেন, ইউনূসের সদিচ্ছা স্পষ্ট ছিল কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা ছিল রূঢ়। নাহিদ বলেন, “তিনি ঐক্য তৈরির চেষ্টা করেছেন, কিন্তু রাজনৈতিক আলোচনায় তার সরকার দুর্বল ছিল।”
আসিফ মাহমুদও এই বিষয়ে একমত। তিনি বলেন, “ইউনূস আন্তর্জাতিকভাবে সফল হলেও দেশের ভেতরে লড়াই করতে হয়েছে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমের মধ্যে ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে আল জাজিরা উল্লেখ করেছে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ঘটে যাওয়া গুম এবং গোপন আটকাবস্থার বিষয়টি মোকাবিলা করা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ‘স্থিতিশীলতা আনার ভূমিকায়’ ড. ইউনূসের প্রশংসা করলেও প্রশ্ন তোলেন, একটি অনির্বাচিত সরকারের কতদূর যাওয়া উচিত। তিনি বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু করার একটি প্রবণতা ছিল। কিছু বিষয় পরবর্তী নির্বাচিত সংসদের জন্য রাখা যেত।”
আল জাজিরা লিখেছে, নিশ্চিতভাবেই, মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সবচেয়ে ‘উচ্চাভিলাষী ও বিতর্কিত’ সংস্কার উদ্যোগগুলোর একটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। নির্বাচিত সংসদ না থাকায়, তার প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভর করে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা চিহ্নিত করা, ক্ষমতার অপব্যবহার নথিবদ্ধ করা এবং সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের আগে কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাব তৈরির কাজ করে।
সমর্থকদের চোখে এটি ছিল সত্য উন্মোচন। সমালোচকদের মতে, একটি অনির্বাচিত সরকার খুব দ্রুত খুব বেশি কিছু করতে চেয়েছে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অবদান বা ‘লেগাসি’ নিয়ে বিতর্ক তত প্রকট হচ্ছে বলে এক বিশ্লেষণে মন্তব্য করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
ঢাকা থেকে লেখা ওই বিশ্লেষণে আল জারিরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূসের দায়িত্ব নেওয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলছে, ইউনূস কি একজন দক্ষ পরিচালক ছিলেন যিনি একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করেছেন, নাকি তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রত্যাশিত কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে ব্যর্থ হয়েছেন?
আল জাজিরা লিখেছে, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রনেতাদের কাছে মুহাম্মদ ইউনূসের বিশ্বজোড়া খ্যাতি এবং দেশে তার সুনাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “সেই মুহূর্তে আমাদের এমন কাউকে দরকার ছিল যিনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। বিকল্প নিয়ে যখন আলোচনা করছিলাম, তখন ইউনূস ছাড়া আর কাউকে খুঁজে পাইনি।”
সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সামরিক বাহিনীর মধ্যে মুহাম্মদ ইউনূসের নিয়োগ নিয়ে ‘কিছুটা দ্বিধা ছিল’।
আল জাজিরা লিখেছে, যারা মুহাম্মদ ইউনূসকে সমর্থন করেছিলেন, এখন তাদের মধ্যেও কিছুটা হতাশা এবং সুযোগ হারানোর গ্লানি কাজ করছে। আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা একটি জাতীয় ঐক্যের সরকার চেয়েছিলাম। সেটি সম্ভব হয়নি। তবুও আমরা রাষ্ট্রের একটি কঠোর সংস্কার আশা করেছিলাম।”
নাহিদ ইসলাম বলেন, ইউনূসের সদিচ্ছা স্পষ্ট ছিল কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা ছিল রূঢ়। নাহিদ বলেন, “তিনি ঐক্য তৈরির চেষ্টা করেছেন, কিন্তু রাজনৈতিক আলোচনায় তার সরকার দুর্বল ছিল।”
আসিফ মাহমুদও এই বিষয়ে একমত। তিনি বলেন, “ইউনূস আন্তর্জাতিকভাবে সফল হলেও দেশের ভেতরে লড়াই করতে হয়েছে।”
অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমের মধ্যে ‘স্পর্শকাতর’ হিসেবে আল জাজিরা উল্লেখ করেছে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ঘটে যাওয়া গুম এবং গোপন আটকাবস্থার বিষয়টি মোকাবিলা করা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ‘স্থিতিশীলতা আনার ভূমিকায়’ ড. ইউনূসের প্রশংসা করলেও প্রশ্ন তোলেন, একটি অনির্বাচিত সরকারের কতদূর যাওয়া উচিত। তিনি বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু করার একটি প্রবণতা ছিল। কিছু বিষয় পরবর্তী নির্বাচিত সংসদের জন্য রাখা যেত।”
আল জাজিরা লিখেছে, নিশ্চিতভাবেই, মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সবচেয়ে ‘উচ্চাভিলাষী ও বিতর্কিত’ সংস্কার উদ্যোগগুলোর একটির নেতৃত্ব দিয়েছেন। নির্বাচিত সংসদ না থাকায়, তার প্রশাসন বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভর করে শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা চিহ্নিত করা, ক্ষমতার অপব্যবহার নথিবদ্ধ করা এবং সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের আগে কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাব তৈরির কাজ করে।
সমর্থকদের চোখে এটি ছিল সত্য উন্মোচন। সমালোচকদের মতে, একটি অনির্বাচিত সরকার খুব দ্রুত খুব বেশি কিছু করতে চেয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।