
প্রতিবেদক, বিডিজেন

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস পাওয়ার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তির প্রতিবাদে ডাকা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। রোববার (২৫ মে) রাতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ এ কথা জানিয়েছে।
গত ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকার যে 'রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ' জারি করে, যেখানে এনবিআর বিলুপ্ত করে কর নীতি বিভাগ ও রাজস্ব সংগ্রহ বিভাগ গঠনের কথা বলা হয়।
এরপর থেকে এই অধ্যাদেশ বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে আন্দোলন করেন এনবিআর কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।
শনিবার ও রোববার সারাদিন দেশজুড়ে তারা কর্মবিরতি পালন করেন।
এর মধ্যেই রোববার সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এনবিআরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র ও বিশেষায়িত বিভাগের মর্যাদায় উন্নীত করা হবে। এ ছাড়া, প্রয়োজনীয় সংশোধনের আগ পর্যন্ত নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর করা হবে না বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এ ঘোষণার পরই রাতে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ কর্মবিরতি প্রত্যাহারের কথা জানায়।
আরও পড়ুন

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস পাওয়ার পর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তির প্রতিবাদে ডাকা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছেন কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। রোববার (২৫ মে) রাতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ এ কথা জানিয়েছে।
গত ১২ মে অন্তর্বর্তী সরকার যে 'রাজস্বনীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ' জারি করে, যেখানে এনবিআর বিলুপ্ত করে কর নীতি বিভাগ ও রাজস্ব সংগ্রহ বিভাগ গঠনের কথা বলা হয়।
এরপর থেকে এই অধ্যাদেশ বাতিলসহ ৪ দফা দাবিতে আন্দোলন করেন এনবিআর কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।
শনিবার ও রোববার সারাদিন দেশজুড়ে তারা কর্মবিরতি পালন করেন।
এর মধ্যেই রোববার সন্ধ্যায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এনবিআরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বতন্ত্র ও বিশেষায়িত বিভাগের মর্যাদায় উন্নীত করা হবে। এ ছাড়া, প্রয়োজনীয় সংশোধনের আগ পর্যন্ত নতুন অধ্যাদেশ কার্যকর করা হবে না বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এ ঘোষণার পরই রাতে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ কর্মবিরতি প্রত্যাহারের কথা জানায়।
আরও পড়ুন
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।