
প্রতিবেদক, বিডিজেন

বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির অবহেলায় ২০২৪ সালে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়া যেতে না পারা শ্রমিকেরা রাজধানী ঢাকার কারওয়ানবাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। এতে প্রায় ৩ ঘণ্টা সেখানে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) তারা সড়ক অবরোধ করেন।
সমস্যার দ্রুত সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে সকাল ৯টায় তারা রাস্তায় নামেন। এতে কারওয়ানবাজারহ আশপাশের এলাকার গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফার্মগেট, বাংলামোটর ও পান্থপথ এলাকা যানজটে স্থবির হয়ে পড়ে।
পথচারী ও অফিসগামী মানুষ আটকা পড়ে যান। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আনোয়ার কবির বলেন, তাদের বুঝিয়ে কারওয়ানবাজার থেকে উঠিয়ে দেওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। পরে শ্রমিকেরা মিছিল নিয়ে ইস্কাটন গার্ডেনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দিকে যান। বিকেল ৩টা পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা।
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা কাছ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তারা। এ ঘটনায় দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।
তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করলেও প্রায় ১৮ হাজার কর্মী ফ্লাইট সংকটের কারণে ২০২৪ সালের ৩১ মের মধ্যে মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি। মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ায় এখন তাদের কাজে যোগদানের নিশ্চয়তা মেলেনি।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ৫ অক্টোবর বলেছিলেন, নির্ধারিত তারিখে মালিয়েশিয়া যেতে পারেননি এমন ১৮ হাজার শ্রমিককে নিতে রাজি হয়েছে দেশটি।
প্রবাসী শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে, যেসব কর্মী নির্ধারিত সময়ে যেতে পারেননি, তাদের দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠানোর দিন-তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। যাদের ই-ভিসা হয়েছে কিন্তু জনবল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি এবং যাদের সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাদের সবাইকে মালয়েশিয়া পাঠাতে হবে। ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব কর্মীকে পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
এ ছাড়া, প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণে একটি রেমিট্যান্স ফাউন্ডেশন গঠন করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির অবহেলায় ২০২৪ সালে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মালয়েশিয়া যেতে না পারা শ্রমিকেরা রাজধানী ঢাকার কারওয়ানবাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। এতে প্রায় ৩ ঘণ্টা সেখানে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) তারা সড়ক অবরোধ করেন।
সমস্যার দ্রুত সমাধানে সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে সকাল ৯টায় তারা রাস্তায় নামেন। এতে কারওয়ানবাজারহ আশপাশের এলাকার গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফার্মগেট, বাংলামোটর ও পান্থপথ এলাকা যানজটে স্থবির হয়ে পড়ে।
পথচারী ও অফিসগামী মানুষ আটকা পড়ে যান। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আনোয়ার কবির বলেন, তাদের বুঝিয়ে কারওয়ানবাজার থেকে উঠিয়ে দেওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। পরে শ্রমিকেরা মিছিল নিয়ে ইস্কাটন গার্ডেনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দিকে যান। বিকেল ৩টা পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা।
মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা কাছ থেকে কোনো আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তারা। এ ঘটনায় দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের কাছে দাবি জানান তারা।
তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করলেও প্রায় ১৮ হাজার কর্মী ফ্লাইট সংকটের কারণে ২০২৪ সালের ৩১ মের মধ্যে মালয়েশিয়ায় যেতে পারেননি। মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ায় এখন তাদের কাজে যোগদানের নিশ্চয়তা মেলেনি।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ৫ অক্টোবর বলেছিলেন, নির্ধারিত তারিখে মালিয়েশিয়া যেতে পারেননি এমন ১৮ হাজার শ্রমিককে নিতে রাজি হয়েছে দেশটি।
প্রবাসী শ্রমিকদের দাবির মধ্যে রয়েছে, যেসব কর্মী নির্ধারিত সময়ে যেতে পারেননি, তাদের দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠানোর দিন-তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। যাদের ই-ভিসা হয়েছে কিন্তু জনবল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি এবং যাদের সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাদের সবাইকে মালয়েশিয়া পাঠাতে হবে। ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব কর্মীকে পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।
এ ছাড়া, প্রবাসী কর্মীদের কল্যাণে একটি রেমিট্যান্স ফাউন্ডেশন গঠন করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।