
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসাসংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সুরাহার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হামুদি।
সোমবার (২১ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশ্বাস দেন।
পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দিন শ্রমশক্তির মসৃণ গতিশীলতা নিশ্চিত করতে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে মুলতবি থাকা কর্মসংস্থান ভিসার আবেদনসহ ভিসাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।
জবাবে রাষ্ট্রদূত ভিসাসংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সুরাহার এ আশ্বাস দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, ভিসা পদ্ধতি সহজিকরণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কাজ করার ওপর দৃষ্টি নিবন্ধ করা হয়। এ ছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক উন্নয়নের সুযোগ নিয়েও আলোচনা করা হয়।
রাষ্ট্রদূত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আতিথেয়তা, অর্থ, ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্য খাতে কর্মরত বৃহৎ প্রবাসী বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি স্বীকার করেন।
আমিরাতের লজিস্টিক লিডার ডিপি ওয়ার্ল্ড, নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোম্পানি মাসদার ও এয়ার সার্ভিস প্রোভাইডার দনাতার বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশ ও আল-নাহিয়ান ট্রাস্টের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্র সচিব সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রবাসীদের মাধ্যমে প্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য রেমিট্যান্স এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্বীকার করেন।
পররাষ্ট্র সচিব সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণ-আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করায় সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের সাধারণ ক্ষমার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ও রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন সেক্টরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত উল্লেখযোগ্য সংস্কারগুলোও তুলে ধরেন।
এ ছাড়া, উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে।
পররাষ্ট্র সচিব জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব সময় ও পরিস্থিতির পরিবর্তন নির্বিশেষে অবিচল, গভীর ও অটুট রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসাসংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সুরাহার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল হামুদি।
সোমবার (২১ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আশ্বাস দেন।
পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দিন শ্রমশক্তির মসৃণ গতিশীলতা নিশ্চিত করতে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে মুলতবি থাকা কর্মসংস্থান ভিসার আবেদনসহ ভিসাসংক্রান্ত বিধিনিষেধ সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।
জবাবে রাষ্ট্রদূত ভিসাসংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সুরাহার এ আশ্বাস দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, ভিসা পদ্ধতি সহজিকরণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে কাজ করার ওপর দৃষ্টি নিবন্ধ করা হয়। এ ছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক উন্নয়নের সুযোগ নিয়েও আলোচনা করা হয়।
রাষ্ট্রদূত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আতিথেয়তা, অর্থ, ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্য খাতে কর্মরত বৃহৎ প্রবাসী বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি স্বীকার করেন।
আমিরাতের লজিস্টিক লিডার ডিপি ওয়ার্ল্ড, নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোম্পানি মাসদার ও এয়ার সার্ভিস প্রোভাইডার দনাতার বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশ ও আল-নাহিয়ান ট্রাস্টের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
পররাষ্ট্র সচিব সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রবাসীদের মাধ্যমে প্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য রেমিট্যান্স এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা স্বীকার করেন।
পররাষ্ট্র সচিব সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাংলাদেশে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণ-আন্দোলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করায় সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের সাধারণ ক্ষমার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ও রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বিভিন্ন সেক্টরে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত উল্লেখযোগ্য সংস্কারগুলোও তুলে ধরেন।
এ ছাড়া, উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করে।
পররাষ্ট্র সচিব জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব সময় ও পরিস্থিতির পরিবর্তন নির্বিশেষে অবিচল, গভীর ও অটুট রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।