
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা সকল ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার ইসির (১৯ ফেব্রুয়ারি( উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, সেসব কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন ধারণকৃত সব ফুটেজ ভবিষ্যতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এ ফুটেজগুলো সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপদে রাখা হবে।
ইসি আরও জানায়, ফুটেজ সংরক্ষণের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা সকল ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আজ বৃহস্পতিবার ইসির (১৯ ফেব্রুয়ারি( উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে জানানো হয়, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেসব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, সেসব কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন এবং ভোটের দিন ধারণকৃত সব ফুটেজ ভবিষ্যতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এ ফুটেজগুলো সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিরাপদে রাখা হবে।
ইসি আরও জানায়, ফুটেজ সংরক্ষণের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”