
বিডিজেন ডেস্ক

লক্ষ্মীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার (২৩ জুলাই) সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের এ ঘটনার মামলায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
খবর ইনডিপেনডেন্টের।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারী ৮ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে একা ঘরে বসবাস করতেন। তাঁর স্বামী মালয়েশিয়াপ্রবাসী।
জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে (৩৪) সদর থানায় হস্তান্তর করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এর আগে, র্যাব ১১–এর নোয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা ঢাকার কদমতলী থানাধীন রায়েরবাগ বাসস্ট্যান্ড মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়া, অন্য দুই অভিযুক্ত তোফায়েল আহমেদ রকি ও রিয়াজ হোসেনকে রায়পুর ও হামছাদী থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ জনের নামে মামলা হলে প্রধান অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। ফারুক দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপনাথপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে।এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় অভিযুক্ত ফারুক, রকি ও রিয়াজ তাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। তার মেয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসায় পড়তে গেলে দুপুরের দিকে ফারুকসহ ৩ জন ঘরে ঢুকে লুকিয়ে থাকে। তার মেয়ে মাদ্রাসা থেকে ঘরে এলে মেয়েকে ধারালো চাকুর ভয় দেখিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয় অভিযুক্তরা। পরে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা।
অভিযোগে বলা হয়, ধর্ষণের ঘটনায় আত্মসম্মানের ভয়ে গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে ওই দিন সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এর পর ওই গৃহবধূর ব্যবহৃত ইমো অ্যাকাউন্টে তাঁর স্বামীর কাছে পাঠানো অডিও রেকর্ড পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা আবদুল মতলব বদু বাদী হয়ে সদর থানায় ৩ জনের নামে মামলা করেন।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট

লক্ষ্মীপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার (২৩ জুলাই) সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের এ ঘটনার মামলায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
খবর ইনডিপেনডেন্টের।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারী ৮ বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে একা ঘরে বসবাস করতেন। তাঁর স্বামী মালয়েশিয়াপ্রবাসী।
জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে (৩৪) সদর থানায় হস্তান্তর করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এর আগে, র্যাব ১১–এর নোয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা ঢাকার কদমতলী থানাধীন রায়েরবাগ বাসস্ট্যান্ড মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়া, অন্য দুই অভিযুক্ত তোফায়েল আহমেদ রকি ও রিয়াজ হোসেনকে রায়পুর ও হামছাদী থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এক প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ জনের নামে মামলা হলে প্রধান অভিযুক্ত ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১। ফারুক দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গোপনাথপুর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে।এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই গৃহবধূ রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় অভিযুক্ত ফারুক, রকি ও রিয়াজ তাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। তার মেয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসায় পড়তে গেলে দুপুরের দিকে ফারুকসহ ৩ জন ঘরে ঢুকে লুকিয়ে থাকে। তার মেয়ে মাদ্রাসা থেকে ঘরে এলে মেয়েকে ধারালো চাকুর ভয় দেখিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয় অভিযুক্তরা। পরে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা।
অভিযোগে বলা হয়, ধর্ষণের ঘটনায় আত্মসম্মানের ভয়ে গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে ওই দিন সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এর পর ওই গৃহবধূর ব্যবহৃত ইমো অ্যাকাউন্টে তাঁর স্বামীর কাছে পাঠানো অডিও রেকর্ড পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর বাবা আবদুল মতলব বদু বাদী হয়ে সদর থানায় ৩ জনের নামে মামলা করেন।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।