
বিডিজেন ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি আগামীকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে। পাহাড়িদের প্রধানতম এই সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে ৪ দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষবরণে তারা চার দিনের অনুষ্ঠানমালার সব প্রস্তুতি শেষ করেছে। ইনস্টিটিউটের মাঠে উৎসব উদ্বোধন করবেন পার্বত্য জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ির চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা।
বৈসাবি হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান তিনটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সমাজের বর্ষবরণ উৎসব। ত্রিপুরাদের কাছে বৈসুব, বৈসু বা বাইসু; মারমাদের কাছে সাংগ্রাই এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে বিজু নামে পরিচিত। এই তিন জাতিগোষ্ঠীর উৎসবের সমন্বয়ে বৈসাবি নামকরণ করা হয়। পাহাড়ে বসবাসকারী অন্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষও তাদের নিজ নিজ উৎসবে মেতে উঠবে। এসব উৎসবের মধ্যে রয়েছে সাংলান, পাতা, সাংক্রাই, সাংগ্রাইং ও চাংক্রান।
খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যোহ্লা মং জানান, আগামীকাল বিকেলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক দল তাদের নিজ নিজ ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করবে। উৎসব চলাকালে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা করা হবে। এ ছাড়া বৈচিত্র্যপূর্ণ মেলা শুরু হবে।
আয়োজকেরা জানান, ৪ এপ্রিল শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বৈচিত্র্যপূর্ণ মেলা উদ্বোধন, হস্তশিল্প প্রতিযোগিতা, পানি খেলা ও গরিয়া নৃত্য পরিবেশন করা হবে। ৫ এপ্রিল বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা; ৬ এপ্রিল চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের পোশাকের ধারা প্রদর্শনী এবং ৭ এপ্রিল আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সমাপনী অনুষ্ঠান হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি আগামীকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে। পাহাড়িদের প্রধানতম এই সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে ৪ দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
খবর আজকের পত্রিকার।
আজ বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্ষবরণে তারা চার দিনের অনুষ্ঠানমালার সব প্রস্তুতি শেষ করেছে। ইনস্টিটিউটের মাঠে উৎসব উদ্বোধন করবেন পার্বত্য জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ির চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা।
বৈসাবি হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান তিনটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সমাজের বর্ষবরণ উৎসব। ত্রিপুরাদের কাছে বৈসুব, বৈসু বা বাইসু; মারমাদের কাছে সাংগ্রাই এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে বিজু নামে পরিচিত। এই তিন জাতিগোষ্ঠীর উৎসবের সমন্বয়ে বৈসাবি নামকরণ করা হয়। পাহাড়ে বসবাসকারী অন্য জাতিগোষ্ঠীর মানুষও তাদের নিজ নিজ উৎসবে মেতে উঠবে। এসব উৎসবের মধ্যে রয়েছে সাংলান, পাতা, সাংক্রাই, সাংগ্রাইং ও চাংক্রান।
খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যোহ্লা মং জানান, আগামীকাল বিকেলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক দল তাদের নিজ নিজ ঐতিহ্যবাহী সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করবে। উৎসব চলাকালে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশনা করা হবে। এ ছাড়া বৈচিত্র্যপূর্ণ মেলা শুরু হবে।
আয়োজকেরা জানান, ৪ এপ্রিল শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বৈচিত্র্যপূর্ণ মেলা উদ্বোধন, হস্তশিল্প প্রতিযোগিতা, পানি খেলা ও গরিয়া নৃত্য পরিবেশন করা হবে। ৫ এপ্রিল বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা; ৬ এপ্রিল চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের পোশাকের ধারা প্রদর্শনী এবং ৭ এপ্রিল আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, জনপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সমাপনী অনুষ্ঠান হবে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।