
বিডিজেন ডেস্ক

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রবাসী সাইদুল ইসলাম খান ও সোহেল খান নামে দুই ভাইয়ের বসতবাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) গভীর রাতে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বদনীকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ঘরের সকল মালামাল পুড়ে গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এতে তাদের আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
খবর ইনডিপেনডেন্টের।
ক্ষতিগ্রস্ত সাইদুল ইসলাম খান জানান, গতকাল রাতে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনে আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কাপড়চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে গেছে। ঘটনার সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল এবং বাড়িতে কেউ ছিল না। জমি ও পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্তের আত্মীয় হারুন খান বলেন, রাতে খবর পেয়ে এসে দেখি বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই অবশিষ্ট নেই।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রবাসী সাইদুল ইসলাম খান ও সোহেল খান নামে দুই ভাইয়ের বসতবাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ মে) গভীর রাতে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বদনীকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ঘরের সকল মালামাল পুড়ে গেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এতে তাদের আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
খবর ইনডিপেনডেন্টের।
ক্ষতিগ্রস্ত সাইদুল ইসলাম খান জানান, গতকাল রাতে দুর্বৃত্তরা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনে আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, কাপড়চোপড়সহ সবকিছু পুড়ে গেছে। ঘটনার সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল এবং বাড়িতে কেউ ছিল না। জমি ও পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্তের আত্মীয় হারুন খান বলেন, রাতে খবর পেয়ে এসে দেখি বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই অবশিষ্ট নেই।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।