
বিডিজেন ডেস্ক

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক আগামী পাঁচ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি সুবিধা পেল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গ্রামীণ ব্যাংক নিঃশর্তভাবে কর মওকুফ সুবিধা পেয়ে আসছিল। ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ সুবিধা বন্ধ হয়ে যায় ব্যাংকটির। এবার নতুন করে প্রতিষ্ঠানটির সব আয় করমুক্ত ঘোষণা করেছে সরকার। ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা ভোগ করবে প্রতিষ্ঠানটি। এই নিয়ে নেট দুনিয়ায় নানা আলোচনা চলছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সই করা প্রজ্ঞাপন গত ১০ অক্টোবর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ক্ষমতাবলে ওই আইনের ৭৬-এর উপধারা (৫) এবং (৬)-এর বিধানাবলি পরিপালন সাপেক্ষে গ্রামীণ ব্যাংকের অর্জিত সব আয়কে আয়কর প্রদান হতে অব্যাহতি দেওয়া হলো। এই প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৯ তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
জানা গেছে, ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর অব্যাহতি সুবিধা তুলে নেওয়া হলে ওই সময় কর অব্যাহতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করে গ্রামীণ ব্যাংক। কিন্তু তাতে সাড়া দেয়নি সরকার। এবার নতুন করে ৫ বছর ৩ মাসের জন্য কর অব্যাহতির সুবিধা পেল গ্রামীণ ব্যাংক। গত ১ অক্টোবর থেকে এ সুবিধা কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।
গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করে থাকে। এ ছাড়া শিক্ষাঋণ, গৃহঋণ, ভিক্ষুকদের ঋণ দেওয়ার মতো কিছু সামাজিক কাজও করে প্রতিষ্ঠানটি।
এ বিষয়ে বিবিসি বাংলা লিখেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে এনবিআরের প্রজ্ঞাপনের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, গ্রামীণ ব্যাংক কি এই প্রথম এমন করমুক্ত সুবিধা পেয়েছে?
জবাবে এনবিআরের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিঃশর্তভাবে কর মওকুফ সুবিধা পেয়ে থাকলেও ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ সুবিধা বন্ধ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার।
এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে অন্য যারা কাজ করে তারাও একই ধরনের সুবিধা পায়। গ্রামীণ ব্যাংকেরটা যেহেতু বাদ হয়ে গিয়েছিল আমরা একই ফর্মুলায় সেটি এখন ঠিক করে দিলাম। এটা ন্যায্যতা ও সমতা।”
একই শর্তে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত দানকৃত আয় থেকে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে অলাভজনক দাতব্য সংস্থা আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনকে।
বিবিসি বাংলা বলছে, বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষুদ্র ঋণ, সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজ কিংবা বিদেশি কোম্পানির সাথে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকিয়ে রাখতে সরকার বিভিন্ন সময় আইন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কর সুবিধা দিয়ে থাকে।
অর্থনীতিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “এটা আইনের মধ্যে না থাকলে অধ্যাপক ইউনূসের সাথে বিগত সরকারের যে টানাপোড়েন ছিল তারা কখনো ২০২০ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংককে কর অব্যাহতি সুবিধা দিত না।”
তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিগত সরকারের নীতিগত অবস্থান ও আইনের ব্যাখ্যাগত কিছু অস্পষ্টতা থাকার কারণে গ্রামীণ ব্যাংকের এই সুবিধা আর নবায়ন করা হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক আগামী পাঁচ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি সুবিধা পেল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে গ্রামীণ ব্যাংক নিঃশর্তভাবে কর মওকুফ সুবিধা পেয়ে আসছিল। ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ সুবিধা বন্ধ হয়ে যায় ব্যাংকটির। এবার নতুন করে প্রতিষ্ঠানটির সব আয় করমুক্ত ঘোষণা করেছে সরকার। ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা ভোগ করবে প্রতিষ্ঠানটি। এই নিয়ে নেট দুনিয়ায় নানা আলোচনা চলছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সই করা প্রজ্ঞাপন গত ১০ অক্টোবর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ক্ষমতাবলে ওই আইনের ৭৬-এর উপধারা (৫) এবং (৬)-এর বিধানাবলি পরিপালন সাপেক্ষে গ্রামীণ ব্যাংকের অর্জিত সব আয়কে আয়কর প্রদান হতে অব্যাহতি দেওয়া হলো। এই প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৯ তারিখ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
জানা গেছে, ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর অব্যাহতি সুবিধা তুলে নেওয়া হলে ওই সময় কর অব্যাহতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করে গ্রামীণ ব্যাংক। কিন্তু তাতে সাড়া দেয়নি সরকার। এবার নতুন করে ৫ বছর ৩ মাসের জন্য কর অব্যাহতির সুবিধা পেল গ্রামীণ ব্যাংক। গত ১ অক্টোবর থেকে এ সুবিধা কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।
গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করে থাকে। এ ছাড়া শিক্ষাঋণ, গৃহঋণ, ভিক্ষুকদের ঋণ দেওয়ার মতো কিছু সামাজিক কাজও করে প্রতিষ্ঠানটি।
এ বিষয়ে বিবিসি বাংলা লিখেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে এনবিআরের প্রজ্ঞাপনের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এটি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, গ্রামীণ ব্যাংক কি এই প্রথম এমন করমুক্ত সুবিধা পেয়েছে?
জবাবে এনবিআরের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে নিঃশর্তভাবে কর মওকুফ সুবিধা পেয়ে থাকলেও ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ সুবিধা বন্ধ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার।
এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে অন্য যারা কাজ করে তারাও একই ধরনের সুবিধা পায়। গ্রামীণ ব্যাংকেরটা যেহেতু বাদ হয়ে গিয়েছিল আমরা একই ফর্মুলায় সেটি এখন ঠিক করে দিলাম। এটা ন্যায্যতা ও সমতা।”
একই শর্তে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত দানকৃত আয় থেকে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে অলাভজনক দাতব্য সংস্থা আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনকে।
বিবিসি বাংলা বলছে, বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষুদ্র ঋণ, সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজ কিংবা বিদেশি কোম্পানির সাথে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকিয়ে রাখতে সরকার বিভিন্ন সময় আইন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কর সুবিধা দিয়ে থাকে।
অর্থনীতিবিদ মোস্তাফিজুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, “এটা আইনের মধ্যে না থাকলে অধ্যাপক ইউনূসের সাথে বিগত সরকারের যে টানাপোড়েন ছিল তারা কখনো ২০২০ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংককে কর অব্যাহতি সুবিধা দিত না।”
তবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, বিগত সরকারের নীতিগত অবস্থান ও আইনের ব্যাখ্যাগত কিছু অস্পষ্টতা থাকার কারণে গ্রামীণ ব্যাংকের এই সুবিধা আর নবায়ন করা হয়নি।
বৈঠক শেষে সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, “যেসব পোস্টাল ব্যালট বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকার আসছে—বাসায় ২০০-৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে—কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে।…প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়মটা এই প্রথম এক্সারসাইজ হচ্ছে।
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।