
বিডিজেন ডেস্ক

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে (ইউএনএইচআরসি) ২০২৫ সালের জন্য বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে মানবাধিকার পরিষদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘ ও অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার কাউন্সিলের ব্যুরোতে কাজ করবেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অঙ্গ হিসেবে এই ব্যুরো জাতিসংঘের ৫টি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিটির প্রতিনিধিত্বকারী ১ জন প্রেসিডেন্ট এবং ৪ জন ভাইস-প্রেসিডেন্ট নিয়ে গঠিত।
২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হয় এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া, যখন বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্টের জন্য প্রার্থিতা দাখিল করে। এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থন করে এবং এই প্রার্থিতা কাউন্সিলের অন্য সকল সদস্যের বিবেচনার জন্য পেশ করে। অবশেষে, গতকাল সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ার সফল সমাপ্তি হলো।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ এই মানবাধিকার পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই প্রথম বাংলাদেশ দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে। পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশের সর্বসম্মতিক্রমে এ নির্বাচন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও বিশ্বাসের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা ও ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্বীকৃতিস্বরূপ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে (ইউএনএইচআরসি) ২০২৫ সালের জন্য বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেলে মানবাধিকার পরিষদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় নিয়োজিত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
নির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জেনেভায় জাতিসংঘ ও অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবাধিকার কাউন্সিলের ব্যুরোতে কাজ করবেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অঙ্গ হিসেবে এই ব্যুরো জাতিসংঘের ৫টি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিটির প্রতিনিধিত্বকারী ১ জন প্রেসিডেন্ট এবং ৪ জন ভাইস-প্রেসিডেন্ট নিয়ে গঠিত।
২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হয় এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া, যখন বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্টের জন্য প্রার্থিতা দাখিল করে। এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থন করে এবং এই প্রার্থিতা কাউন্সিলের অন্য সকল সদস্যের বিবেচনার জন্য পেশ করে। অবশেষে, গতকাল সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়ার সফল সমাপ্তি হলো।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ এই মানবাধিকার পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই প্রথম বাংলাদেশ দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছে। পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশের সর্বসম্মতিক্রমে এ নির্বাচন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও বিশ্বাসের আরেকটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকা ও ক্রমবর্ধমান প্রভাবের স্বীকৃতিস্বরূপ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।