
শরীফুল আলম

মনে মনে তো অনেক দূরই চলে যাওয়া যায়, কিন্তু ফিরে আসাটা আসলেই খুবই কষ্টকর। মনোযোগ দিয়ে আপনি যতই ভালোবাসুন না কেন, বুদ্ধিমত্তা ও সংকল্পের দৃঢ়তার কম্বিনেশান থাকতেই হবে।
এই পৃথিবীর বেশির ভাগ উগ্রতাকে পছন্দ করে না, সবাই স্নিগ্ধতাকেই পছন্দ করে। ভুল আর অন্যায়ের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। কোনটা ভুল আর কোনটা অন্যায় তা আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। আপনার ভুলে আপনি ঠকে গেলে ধরেই নিতে হবে জেতার গুণাগুণ আপনার মধ্যে আদৌ নেই।
মানুষের হরেক রকমের আফসোস আছে, কারও সৌন্দর্য নিয়ে, কেউ আবার ফিগার নিয়ে। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমরা বুঝতে পারি কোথায় গিয়ে আমাদের দাঁড়াতে হবে।
তবে ‘বিয়ে জোর করে আমাদেরকে একগামী করে অধীনস্থ করতে বাধ্য করে। কিন্তু মনে মনে আমরা সবাই বহুগামী। মূলত বিয়ে মানুষের শিল্পস্বত্তার বৈচিত্রকে হত্যা করে।’
তারপরেও আমি বলি প্রত্যেকটা নারী/পুরুষ কিম্বা স্বামী/স্ত্রীর উচিত কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা নির্দোষ ঘুম ঘুমানো।
আমি এই দেশে একটা দীর্ঘ লম্বা সময় বসবাস করছি। আমি দেখেছি এখানে রাস্তাঘাটে দাঁড়িয়ে কেবলমাত্র খাবারের জন্য যৌনতা বিক্রি করতে। এখানে এই দেশে আমাদের দেশের মতো রাস্তাঘাটে শ্রম বিক্রি হয়, তবে শ্রমের বিনিময়ে।
জাপানেও শুরু হয়েছে সেপারেশান ম্যারেজ অর্থাৎ বিয়ে করছি একত্রে না থাকার শর্তে। মূলত যারা ইনসিকিউরিটি আর কনফিডেন্সের অভাবে ভোগে তাদের পোটেনশিয়াল থাকা সত্ত্বেও হতাশা তাদের বেশি কাজ করে।
এই শ্রেণিভুক্ত মানুষগুলোকে আমৃত্যু লড়াই করেই বেঁচে থাকতে হয়। এদের জন্য জীবন কঠিন, এরা কখনো কখনো তাই নিজেকে আনইমপরট্যান্টও ভাবে। তবে আমি বলি গল্প তৈরি হয় কেবল সফল মানুষদের জন্য, এটা মনে রাখতে হবে।
যা হোক, আমরা মানুষ, আমরা এখনো এতটা সামর্থবান হয়ে উঠি নাই যে, নৈতিকতায় আমাদেরকে বেঁধে ফেলা যাবে। তারপরেও আমি মানুষ, মানুষকেই আমার ভীষণ ভয়, সামাজিকতাকেই আমার ভীষণ ভয়। এত কিছুর পরেও এই মানুষেই আমার আনন্দ, মানুষ কেউ একা নয় মানুষ নিজে নিজেই একা হয়।
—শরীফুল আলম, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র

মনে মনে তো অনেক দূরই চলে যাওয়া যায়, কিন্তু ফিরে আসাটা আসলেই খুবই কষ্টকর। মনোযোগ দিয়ে আপনি যতই ভালোবাসুন না কেন, বুদ্ধিমত্তা ও সংকল্পের দৃঢ়তার কম্বিনেশান থাকতেই হবে।
এই পৃথিবীর বেশির ভাগ উগ্রতাকে পছন্দ করে না, সবাই স্নিগ্ধতাকেই পছন্দ করে। ভুল আর অন্যায়ের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। কোনটা ভুল আর কোনটা অন্যায় তা আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। আপনার ভুলে আপনি ঠকে গেলে ধরেই নিতে হবে জেতার গুণাগুণ আপনার মধ্যে আদৌ নেই।
মানুষের হরেক রকমের আফসোস আছে, কারও সৌন্দর্য নিয়ে, কেউ আবার ফিগার নিয়ে। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমরা বুঝতে পারি কোথায় গিয়ে আমাদের দাঁড়াতে হবে।
তবে ‘বিয়ে জোর করে আমাদেরকে একগামী করে অধীনস্থ করতে বাধ্য করে। কিন্তু মনে মনে আমরা সবাই বহুগামী। মূলত বিয়ে মানুষের শিল্পস্বত্তার বৈচিত্রকে হত্যা করে।’
তারপরেও আমি বলি প্রত্যেকটা নারী/পুরুষ কিম্বা স্বামী/স্ত্রীর উচিত কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা নির্দোষ ঘুম ঘুমানো।
আমি এই দেশে একটা দীর্ঘ লম্বা সময় বসবাস করছি। আমি দেখেছি এখানে রাস্তাঘাটে দাঁড়িয়ে কেবলমাত্র খাবারের জন্য যৌনতা বিক্রি করতে। এখানে এই দেশে আমাদের দেশের মতো রাস্তাঘাটে শ্রম বিক্রি হয়, তবে শ্রমের বিনিময়ে।
জাপানেও শুরু হয়েছে সেপারেশান ম্যারেজ অর্থাৎ বিয়ে করছি একত্রে না থাকার শর্তে। মূলত যারা ইনসিকিউরিটি আর কনফিডেন্সের অভাবে ভোগে তাদের পোটেনশিয়াল থাকা সত্ত্বেও হতাশা তাদের বেশি কাজ করে।
এই শ্রেণিভুক্ত মানুষগুলোকে আমৃত্যু লড়াই করেই বেঁচে থাকতে হয়। এদের জন্য জীবন কঠিন, এরা কখনো কখনো তাই নিজেকে আনইমপরট্যান্টও ভাবে। তবে আমি বলি গল্প তৈরি হয় কেবল সফল মানুষদের জন্য, এটা মনে রাখতে হবে।
যা হোক, আমরা মানুষ, আমরা এখনো এতটা সামর্থবান হয়ে উঠি নাই যে, নৈতিকতায় আমাদেরকে বেঁধে ফেলা যাবে। তারপরেও আমি মানুষ, মানুষকেই আমার ভীষণ ভয়, সামাজিকতাকেই আমার ভীষণ ভয়। এত কিছুর পরেও এই মানুষেই আমার আনন্দ, মানুষ কেউ একা নয় মানুষ নিজে নিজেই একা হয়।
—শরীফুল আলম, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
বৈঠকে লিবিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নমূলক ও অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলোতে আরও বেশিসংখ্যক দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তির অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি ও বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন ধাপে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত ১৯১ জনের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে। আরও ২২ জনের কাছে নোটিশ জারির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নুরুল হক নুর বলেন, “এক সময় বিদেশে নির্যাতনের শিকার হলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রতিকার চাইতে পারতেন না। তবে বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির ফলে নির্যাতনের শিকার কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি ও আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”