
প্রতিবেদক, বিডিজেন
২০২৫ সালের মার্চ শেষে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ রেকর্ড ছাড়িয়েছে। মার্চ প্রান্তিকে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ৩ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ৭৪ হাজার কোটি টাকা।
রোববার (১৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ২০ দশমিক ২ শতাংশ। আর ৩ মাসের ব্যবধানে মোট খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৭৪ হাজার ৫৭০ কাটি টাকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকিং খাতে মার্চ শেষে মোট ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৯৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা বা ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। আর মন্দ ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
খেলাপি ঋণের মধ্যে মন্দ ঋণের হার ৮১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ব্যাংকগুলোর প্রভিশন (ব্যাংকের আয় থেকে টাকা সরিয়ে ঋণের বিপরীতে সংরক্ষণ করাই হচ্ছে প্রভিশনিং আর রক্ষিত অর্থকে বলা হয় প্রভিশন) দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ১০২ কোটি। এর মধ্যে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা।
২০২৫ সালের মার্চ শেষে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ রেকর্ড ছাড়িয়েছে। মার্চ প্রান্তিকে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ। জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ৩ মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে সাড়ে ৭৪ হাজার কোটি টাকা।
রোববার (১৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ২০ দশমিক ২ শতাংশ। আর ৩ মাসের ব্যবধানে মোট খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৭৪ হাজার ৫৭০ কাটি টাকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকিং খাতে মার্চ শেষে মোট ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৯৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৪ লাখ ২০ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা বা ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। আর মন্দ ঋণের পরিমাণ ৩ লাখ ৪২ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
খেলাপি ঋণের মধ্যে মন্দ ঋণের হার ৮১ দশমিক ৩৮ শতাংশ। আর ব্যাংকগুলোর প্রভিশন (ব্যাংকের আয় থেকে টাকা সরিয়ে ঋণের বিপরীতে সংরক্ষণ করাই হচ্ছে প্রভিশনিং আর রক্ষিত অর্থকে বলা হয় প্রভিশন) দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ১০২ কোটি। এর মধ্যে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।