
বিডিজেন ডেস্ক

নেপালে আটকে পড়া বাংলাদেশিরা নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। এ ছাড়া, রাশিয়া ও ইউক্রেনের বাফার জোনে বাংলাদেশি সেনা পাঠাতে জাতিসংঘ প্রস্তাব দিলে সম্মতি জানানো হবে বলে জানান তিনি।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, জাতীয় দলের ফুটবলারসহ সবাই নিরাপদে আছেন। পরিস্থিতি শান্ত হলেই তারা ফেরত আসতে পারবেন। সহিংসতায় টালমাটাল নেপালে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুই দিন পর চালু হয়েছে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (টিআইএ)। কিন্তু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। এ পরিস্থিতিতে আটকা পড়েছে প্রায় এক হাজার বাংলাদেশি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হলেই তারা ফিরতে পারবেন।
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এয়ারপোর্ট যতক্ষণ পর্যন্ত না খুলছে, কিছু তো করা যাবে না। এমন নয় যে ভারতের ভেতর দিয়ে আনা যাবে, কারণ তাদের কারও তো ভারতের ভিসা নেই। কাজেই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। একটা ভালো জিনিস যেটা হয়েছে, সেটা হলো তারা [বিক্ষোভকারীরা] তাদের রাজনীতিবিদদের খুঁজতে গিয়েছিল হোটেলে, সেখানে গিয়ে বাংলাদেশের ফুটবল টিমকে দেখে কিন্তু তারা সম্মানের সাথে সরে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতি তাদের খারাপ কোনো ফিলিং নাই। কাজেই আমি মনে করি না যে কোনো ক্রাইসিস হবে। আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখছে। আমরা আশা করি, সবাই ঠিকঠাক চলে আসতে পারবে। একটু সময় লাগবে। অপেক্ষা করা ছাড়া কিছু করার নেই।’
রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি হলে ইউক্রেনে একটি বাফার জোন তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর সেনা মোতায়েন করা হতে পারে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতিসংঘ।
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা কিছু না বলি তেমন। আশা করি তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হবে। যুদ্ধবিরতি হলে জাতিসংঘ নিশ্চয়ই কোনো রোল নেবে। আমাদের যে অভিজ্ঞতা আছে শান্তিরক্ষায়, সেখানে যদি এমন কোনো পরিস্থিতি হয় আমরা তো নিশ্চয়ই অংশ নিতে চাইব।’

নেপালে আটকে পড়া বাংলাদেশিরা নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। এ ছাড়া, রাশিয়া ও ইউক্রেনের বাফার জোনে বাংলাদেশি সেনা পাঠাতে জাতিসংঘ প্রস্তাব দিলে সম্মতি জানানো হবে বলে জানান তিনি।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানান, জাতীয় দলের ফুটবলারসহ সবাই নিরাপদে আছেন। পরিস্থিতি শান্ত হলেই তারা ফেরত আসতে পারবেন। সহিংসতায় টালমাটাল নেপালে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুই দিন পর চালু হয়েছে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (টিআইএ)। কিন্তু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। এ পরিস্থিতিতে আটকা পড়েছে প্রায় এক হাজার বাংলাদেশি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হলেই তারা ফিরতে পারবেন।
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এয়ারপোর্ট যতক্ষণ পর্যন্ত না খুলছে, কিছু তো করা যাবে না। এমন নয় যে ভারতের ভেতর দিয়ে আনা যাবে, কারণ তাদের কারও তো ভারতের ভিসা নেই। কাজেই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। একটা ভালো জিনিস যেটা হয়েছে, সেটা হলো তারা [বিক্ষোভকারীরা] তাদের রাজনীতিবিদদের খুঁজতে গিয়েছিল হোটেলে, সেখানে গিয়ে বাংলাদেশের ফুটবল টিমকে দেখে কিন্তু তারা সম্মানের সাথে সরে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতি তাদের খারাপ কোনো ফিলিং নাই। কাজেই আমি মনে করি না যে কোনো ক্রাইসিস হবে। আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রাখছে। আমরা আশা করি, সবাই ঠিকঠাক চলে আসতে পারবে। একটু সময় লাগবে। অপেক্ষা করা ছাড়া কিছু করার নেই।’
রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি হলে ইউক্রেনে একটি বাফার জোন তৈরি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর সেনা মোতায়েন করা হতে পারে। এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতিসংঘ।
তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা কিছু না বলি তেমন। আশা করি তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হবে। যুদ্ধবিরতি হলে জাতিসংঘ নিশ্চয়ই কোনো রোল নেবে। আমাদের যে অভিজ্ঞতা আছে শান্তিরক্ষায়, সেখানে যদি এমন কোনো পরিস্থিতি হয় আমরা তো নিশ্চয়ই অংশ নিতে চাইব।’
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।