
বিডিজেন ডেস্ক

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার লক্ষ্মীমণ্ডল গ্রাম থেকে সৌদিপ্রবাসীর বাবা ও স্ত্রীর গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা এটি হত্যাকাণ্ড।
খবর দ্য ডেইলি স্টার বাংলার।
নিহতরা হলেন—সৌদি প্রবাসী শাহজাহানের বাবা আফতাব হোসেন (৭০) এবং তাঁর স্ত্রী রিভা খাতুন (৩৬)।
আজ বুধবার (৯ জুলাই) সকালে তাদের মরদেহ বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, 'মঙ্গলবার রাত ৯টার পর যেকোনো সময় দুর্বৃত্তরা তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করে থাকতে পারে।'
'ঘটনার তদন্ত চলছে। হত্যার পেছনে কী কারণ, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না', তিনি আরও বলেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান সাংবাদিকদের জানান, আফতাব হোসেনের গলায় দড়ি ও রিভা খাতুনের গলায় ওড়না ফাঁস দেওয়া ছিল।
তিনি বলেন, 'পূর্ব শত্রুতা, চুরি বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে—এসব সম্ভাবনা মাথায় রেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।'
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার লক্ষ্মীমণ্ডল গ্রাম থেকে সৌদিপ্রবাসীর বাবা ও স্ত্রীর গলায় ফাঁস দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা এটি হত্যাকাণ্ড।
খবর দ্য ডেইলি স্টার বাংলার।
নিহতরা হলেন—সৌদি প্রবাসী শাহজাহানের বাবা আফতাব হোসেন (৭০) এবং তাঁর স্ত্রী রিভা খাতুন (৩৬)।
আজ বুধবার (৯ জুলাই) সকালে তাদের মরদেহ বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, 'মঙ্গলবার রাত ৯টার পর যেকোনো সময় দুর্বৃত্তরা তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করে থাকতে পারে।'
'ঘটনার তদন্ত চলছে। হত্যার পেছনে কী কারণ, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না', তিনি আরও বলেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান সাংবাদিকদের জানান, আফতাব হোসেনের গলায় দড়ি ও রিভা খাতুনের গলায় ওড়না ফাঁস দেওয়া ছিল।
তিনি বলেন, 'পূর্ব শত্রুতা, চুরি বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে—এসব সম্ভাবনা মাথায় রেখে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।'
সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।