
বিডিজেন ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আল দুহাইলান।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় এ সাক্ষাৎ হয়।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার সময় অথবা ফেরার সময় খালেদা জিয়াকে পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ সময় খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এনামুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সৌজন্য সাক্ষাতে সৌদির রাষ্ট্রদূত ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি সৌদি বাদশাহ ও ক্রাউন প্রিন্সের (প্রধানমন্ত্রী) পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়াও তাঁদের সালাম ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেছেন। রাষ্ট্রদূত ম্যাডামের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তিনি কবে নাগাদ (দেশের বাইরে) যাবেন সেটাও।’
সৌজন্য সাক্ষাতে খালেদা জিয়া দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি বলে জানান বিএনপির নেতা জাহিদ হোসেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ ইসা আল দুহাইলান।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) রাতে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় এ সাক্ষাৎ হয়।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার সময় অথবা ফেরার সময় খালেদা জিয়াকে পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এ সময় খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এনামুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎ শেষে এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সৌজন্য সাক্ষাতে সৌদির রাষ্ট্রদূত ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিয়েছেন, শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি সৌদি বাদশাহ ও ক্রাউন প্রিন্সের (প্রধানমন্ত্রী) পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়াও তাঁদের সালাম ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেছেন। রাষ্ট্রদূত ম্যাডামের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তিনি কবে নাগাদ (দেশের বাইরে) যাবেন সেটাও।’
সৌজন্য সাক্ষাতে খালেদা জিয়া দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি বলে জানান বিএনপির নেতা জাহিদ হোসেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।