
বিডিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মুহাম্মদ ওসমান (৫০) নামে এক কাতারপ্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি তিনি দেশে এসে বুড়িশ্চর ইউনিয়নের নজুমিয়াহাট বাজারে একটি রেস্তোরাঁ খোলেন। দুপুরের খাবার খেয়ে নিজের নতুন চালু করা রেস্তোরাঁয় যাচ্ছিলেন তিনি। পথে একটি গাড়ি পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে যান। হেলমেট পরা ছিলেন না বলে মাথায় গুতর আঘাত পান তিনি। হয় রক্তক্ষরণও। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ও বুড়িশ্চর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা কুয়াইশ-অক্সিজেন সড়ক মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ওসমান চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার মোহরা তাজ মাঝিরপাড়ার বাসিন্দা। তিনি তিন সন্তানের বাবা। সম্প্রতি তিনি কাতার থেকে দেশে আসেন। পুলিশ পরিবারের অনুরোধে বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের জন্য লাশ হস্তান্তর করেছে। তবে কী ধরনের গাড়ি তাকে ধাক্কা দিয়েছে সেটি জানা যায়নি। তবে হেলমেট পরা না থাকায় মাথায় আঘাত পেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
জানতে চাইলে মদুনাঘাট পুলিশি তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মুহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবার বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফনের জন্য আবেদন করেছে। এ কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, কোন গাড়ির ধাক্কায় ওই ব্যক্তি দুর্ঘটনার শিকার হন, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে হেলমেট পরা না থাকায় মাথায় আঘাত পেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান।
সূত্র: প্রথম আলো

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মুহাম্মদ ওসমান (৫০) নামে এক কাতারপ্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি তিনি দেশে এসে বুড়িশ্চর ইউনিয়নের নজুমিয়াহাট বাজারে একটি রেস্তোরাঁ খোলেন। দুপুরের খাবার খেয়ে নিজের নতুন চালু করা রেস্তোরাঁয় যাচ্ছিলেন তিনি। পথে একটি গাড়ি পেছন থেকে তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে যান। হেলমেট পরা ছিলেন না বলে মাথায় গুতর আঘাত পান তিনি। হয় রক্তক্ষরণও। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর প্রথম আলোর।
গতকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ও বুড়িশ্চর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা কুয়াইশ-অক্সিজেন সড়ক মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ওসমান চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও থানার মোহরা তাজ মাঝিরপাড়ার বাসিন্দা। তিনি তিন সন্তানের বাবা। সম্প্রতি তিনি কাতার থেকে দেশে আসেন। পুলিশ পরিবারের অনুরোধে বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের জন্য লাশ হস্তান্তর করেছে। তবে কী ধরনের গাড়ি তাকে ধাক্কা দিয়েছে সেটি জানা যায়নি। তবে হেলমেট পরা না থাকায় মাথায় আঘাত পেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
জানতে চাইলে মদুনাঘাট পুলিশি তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক মুহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, নিহত ব্যক্তির পরিবার বিনা ময়নাতদন্তে লাশ দাফনের জন্য আবেদন করেছে। এ কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়। তিনি বলেন, কোন গাড়ির ধাক্কায় ওই ব্যক্তি দুর্ঘটনার শিকার হন, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে হেলমেট পরা না থাকায় মাথায় আঘাত পেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান।
সূত্র: প্রথম আলো
মন্ত্রণালয় জানায়, ড্রোন হামলার সময় বিস্ফোরণে একজন প্রবাসীর হাঁটুতে গুরুতর আঘাত লেগেছে এবং বাকি তিনজন কাচের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফেরত আসা ব্যক্তিদের অধিকাংশই প্রথমে বৈধভাবে ব্রাজিলে যান। পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধ পথে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাতে তাদের জনপ্রতি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা, কারও ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে।
নির্ধারিত ফ্লাইটসূচির চার ঘণ্টা আগে যাত্রীদের বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চেকইন কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করবেন তারা।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।