
বিডিজেন ডেস্ক

প্রায় সাত বছর আগে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মালদ্বীপ গিয়েছিলেন মো. জসিম উদ্দিন (৪৫)। স্বপ্ন ছিল কাজ করে ঋণের টাকা পরিশোধ করবেন; সংসারে ফিরিয়ে আনবেন সচ্ছলতা। হাসি ফোটাবেন স্ত্রী–সন্তানদের মুখে। স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তেও এসেছিলেন। কথা ছিল আসছে ঈদুল আজহার আগে বাড়ি ফিরবেন। পরিবার–পরিজনের সঙ্গে ঈদ করবেন। বাড়িতে ফিরছেন ঠিকই। তবে জীবিত নয়, ফিরছেন লাশ হয়ে।
খবর প্রথম আলোর।
জসিম উদ্দিনের বিষয়ে কথাগুলো বলতে বলতে কাঁদছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. মাসুমা আক্তার (৩৭)। বাংলাদেশ সময় গত শনিবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত চারটার দিকে মালদ্বীপের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জসিম। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। জসিমের মৃত্যুর খবরে তাঁর পরিবারে ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দিন আহম্মেদের ছেলে জসিম উদ্দিন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সেজ। জসিমের এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে মেহনাব হোসেন এ বছর দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে। আর মেয়ে মোছা. জেরিন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।
জসিমের ছোট ভাই মো. মাহফুজ বলেন, জীবিকার তাগিদে ২০০৫ সালে সৌদি আরব গিয়েছিলেন জসিম। ২০১৭ সালে বাড়ি ফিরে এসে মুরগির খামার করেছিলেন। মুরগির খামারে লোকসানে প্রবাসের আয় করা সব টাকা শেষ হয়ে যায়। উল্টো ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৮ সালে চলে যান মালদ্বীপে। মালদ্বীপের কুলহুধুফুশি আইসল্যান্ডে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। আসছে ঈদুল আজহায় বাড়ি ফেরার কথা ছিল। ২৫ এপ্রিল, শুক্রবার বুকে ব্যথা নিয়ে মালদ্বীপের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই বাসায় ফিরে যান। পরের দিন শনিবার রাতে বুকে ব্যথা অনুভব হলে সহকর্মীরা তাঁকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত চারটার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

স্ত্রী মাসুমা আক্তার কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মালদ্বীপ গিয়েছিলেন, ফিরবেন লাশ হয়ে—এইটা ক্যামনে সহ্য করমু! আমার দুই সন্তানেরে কী বুঝ দিমু? ওরা বাবা ডাকবে কারে?’ অঝোরে কাঁদছিল মেয়ে জেরিন। আক্ষেপ নিয়ে সে বলছিল, ‘বুঝ হওয়ার আগে থেকেই বাবা বিদেশে থাকেন। বুঝ হওয়ার পর থেকে বাবাকে কখনো সামনাসামনি দেখা হয়নি। ভিডিও কলে বাবাকে দেখতাম। এবার ঈদে (ঈদুল আজহা) বাবাকে দেখব, আদর করব—সেই স্বপ্নে বিভোর ছিলাম। বাবাকে আর দেখা হলো না। নিথর দেহটাকে হয়তো দেখতে পারব।’
জসিমের মৃত্যুর খবরে নির্বাক বৃদ্ধা মা মোছা. বিবি আয়শা (৭৫)। বড় ভাই মো. ফজলুর রহমান ফোরকান বলেন, সব প্রক্রিয়া শেষ করে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা সোয়া ১১টায় মরদেহ মালদ্বীপ থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাতে লাশ গ্রামের বাড়ি বড়ডালিমায় নিয়ে আসা হবে। আজ বুধবার ডালিমা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশেই তাঁকে দাফন করা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো

প্রায় সাত বছর আগে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মালদ্বীপ গিয়েছিলেন মো. জসিম উদ্দিন (৪৫)। স্বপ্ন ছিল কাজ করে ঋণের টাকা পরিশোধ করবেন; সংসারে ফিরিয়ে আনবেন সচ্ছলতা। হাসি ফোটাবেন স্ত্রী–সন্তানদের মুখে। স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তেও এসেছিলেন। কথা ছিল আসছে ঈদুল আজহার আগে বাড়ি ফিরবেন। পরিবার–পরিজনের সঙ্গে ঈদ করবেন। বাড়িতে ফিরছেন ঠিকই। তবে জীবিত নয়, ফিরছেন লাশ হয়ে।
খবর প্রথম আলোর।
জসিম উদ্দিনের বিষয়ে কথাগুলো বলতে বলতে কাঁদছিলেন তাঁর স্ত্রী মোসা. মাসুমা আক্তার (৩৭)। বাংলাদেশ সময় গত শনিবার (২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত চারটার দিকে মালদ্বীপের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জসিম। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। জসিমের মৃত্যুর খবরে তাঁর পরিবারে ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দিন আহম্মেদের ছেলে জসিম উদ্দিন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সেজ। জসিমের এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে মেহনাব হোসেন এ বছর দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে। আর মেয়ে মোছা. জেরিন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে।
জসিমের ছোট ভাই মো. মাহফুজ বলেন, জীবিকার তাগিদে ২০০৫ সালে সৌদি আরব গিয়েছিলেন জসিম। ২০১৭ সালে বাড়ি ফিরে এসে মুরগির খামার করেছিলেন। মুরগির খামারে লোকসানে প্রবাসের আয় করা সব টাকা শেষ হয়ে যায়। উল্টো ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৮ সালে চলে যান মালদ্বীপে। মালদ্বীপের কুলহুধুফুশি আইসল্যান্ডে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। আসছে ঈদুল আজহায় বাড়ি ফেরার কথা ছিল। ২৫ এপ্রিল, শুক্রবার বুকে ব্যথা নিয়ে মালদ্বীপের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই দিনই বাসায় ফিরে যান। পরের দিন শনিবার রাতে বুকে ব্যথা অনুভব হলে সহকর্মীরা তাঁকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত চারটার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

স্ত্রী মাসুমা আক্তার কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে মালদ্বীপ গিয়েছিলেন, ফিরবেন লাশ হয়ে—এইটা ক্যামনে সহ্য করমু! আমার দুই সন্তানেরে কী বুঝ দিমু? ওরা বাবা ডাকবে কারে?’ অঝোরে কাঁদছিল মেয়ে জেরিন। আক্ষেপ নিয়ে সে বলছিল, ‘বুঝ হওয়ার আগে থেকেই বাবা বিদেশে থাকেন। বুঝ হওয়ার পর থেকে বাবাকে কখনো সামনাসামনি দেখা হয়নি। ভিডিও কলে বাবাকে দেখতাম। এবার ঈদে (ঈদুল আজহা) বাবাকে দেখব, আদর করব—সেই স্বপ্নে বিভোর ছিলাম। বাবাকে আর দেখা হলো না। নিথর দেহটাকে হয়তো দেখতে পারব।’
জসিমের মৃত্যুর খবরে নির্বাক বৃদ্ধা মা মোছা. বিবি আয়শা (৭৫)। বড় ভাই মো. ফজলুর রহমান ফোরকান বলেন, সব প্রক্রিয়া শেষ করে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বেলা সোয়া ১১টায় মরদেহ মালদ্বীপ থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাতে লাশ গ্রামের বাড়ি বড়ডালিমায় নিয়ে আসা হবে। আজ বুধবার ডালিমা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের পাশেই তাঁকে দাফন করা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
শবিফুল হাসান লিখেছেন, দেশে ফেরত আসা কর্মীদের ভাষ্যমতে, একই দিনে সৌদি এয়ারলাইনসের (SV812) একটি ফ্লাইটে সৌদি প্রশাসন প্রায় ৪০০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ডিপোর্ট করে ঢাকায় পাঠায়।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে বকচর বিওপির একটি টহলদল বকচর সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের ভেতরে অভিযান চালায়। এ সময় পাচারকারী শাহিন আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, অভিবাসী ভিসা স্থগিতের ব্যাপারে আমেরিকা কতগুলো কারণ দিয়েছে। সেই কারণগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এটা গতকালই মাত্র এসেছে। কাজেই আমরা নিশ্চয়ই আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আমাদের নিরাপত্তা উপদেষ্টা যারা আছেন, তারা এটা নিয়ে একটা কর্মকৌশল বের করবেন; আমেরিকাকে যুক্ত করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ইদ আল ইতিহাদ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে দেশটির শাসকেরা এ ক্ষমার ঘোষণা দেন। এ সময় বিভিন্ন দেশের হাজারো বন্দিকেও ক্ষমার আওতায় আনা হয়। প্রতি বছর জাতীয় দিবস ও ঈদসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে আমিরাতের শাসকেরা দণ্ডপ্রাপ্তদের রাজকীয় ক্ষমা দিয়ে থাকেন।