
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে গত বছর রেকর্ড সংখ্যক কর্মী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত দেশটির শ্রম ও কর্মসংস্থান কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে ৭ লাখ ৫০ হাজারের বেশি কর্মী সৌদি আরবে গেছেন, যা একক কোনো দেশে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জনশক্তি পাঠানোর রেকর্ড।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। আরব নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত, যারা প্রতিবছর দেশে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। ১৯৭০-এর দশক থেকে সৌদি শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ শুরু হয় এবং বর্তমানে তারা দেশটিতে সবচেয়ে বড় প্রবাসী জনগোষ্ঠী।
সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশি কর্মীদের প্রধান গন্তব্য। ২০২৫ সালে বিদেশে যাওয়া মোট প্রায় ১১ লাখ বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সৌদি আরবকেই কর্মস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) জানায়, সৌদি আরবে জনশক্তি পাঠানোর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে সরকারের বাড়তি গুরুত্ব। ২০২৩ সালে সৌদি সরকারের ‘স্কিল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম’ চালুর পর দেশ থেকে যাচ্ছেন বেশি সংখ্যক প্রশিক্ষিত ও সনদপ্রাপ্ত কর্মী।
বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক আশরাফ হোসেন জানান, বর্তমানে দেশের ২৮টি অনুমোদিত কেন্দ্রে দক্ষতা যাচাই কার্যক্রম চালু রয়েছে, যাতে মাসে প্রায় ৬০ হাজার কর্মীকে সৌদি শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে। কয়েক মাস আগেও এই সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজারের মতো।
তিনি বলেন, “এটি শুধু সৌদি আরব নয়, যেকোনো একক দেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জনশক্তি রপ্তানির রেকর্ড।”
তিনি আরও বলেন, বিএমইটি সম্প্রতি খনি খাতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও শুরু করেছে। সৌদি আরবে খনিজসম্পদ ও জ্বালানি খাতে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এ খাতে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন কর্মসংস্থান চুক্তিও এই প্রবণতাকে জোরদার করেছে। চুক্তির আওতায় শ্রমিকদের সুরক্ষা, নিয়মিত বেতন পরিশোধ, কল্যাণ ও স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে ২০২৬ সালে প্রায় ৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে গত বছর রেকর্ড সংখ্যক কর্মী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত দেশটির শ্রম ও কর্মসংস্থান কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে ৭ লাখ ৫০ হাজারের বেশি কর্মী সৌদি আরবে গেছেন, যা একক কোনো দেশে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জনশক্তি পাঠানোর রেকর্ড।
সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। আরব নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৩৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত, যারা প্রতিবছর দেশে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। ১৯৭০-এর দশক থেকে সৌদি শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ শুরু হয় এবং বর্তমানে তারা দেশটিতে সবচেয়ে বড় প্রবাসী জনগোষ্ঠী।
সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশি কর্মীদের প্রধান গন্তব্য। ২০২৫ সালে বিদেশে যাওয়া মোট প্রায় ১১ লাখ বাংলাদেশি কর্মীর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সৌদি আরবকেই কর্মস্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) জানায়, সৌদি আরবে জনশক্তি পাঠানোর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে সরকারের বাড়তি গুরুত্ব। ২০২৩ সালে সৌদি সরকারের ‘স্কিল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম’ চালুর পর দেশ থেকে যাচ্ছেন বেশি সংখ্যক প্রশিক্ষিত ও সনদপ্রাপ্ত কর্মী।
বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক আশরাফ হোসেন জানান, বর্তমানে দেশের ২৮টি অনুমোদিত কেন্দ্রে দক্ষতা যাচাই কার্যক্রম চালু রয়েছে, যাতে মাসে প্রায় ৬০ হাজার কর্মীকে সৌদি শ্রমবাজারের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হচ্ছে। কয়েক মাস আগেও এই সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজারের মতো।
তিনি বলেন, “এটি শুধু সৌদি আরব নয়, যেকোনো একক দেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জনশক্তি রপ্তানির রেকর্ড।”
তিনি আরও বলেন, বিএমইটি সম্প্রতি খনি খাতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও শুরু করেছে। সৌদি আরবে খনিজসম্পদ ও জ্বালানি খাতে দক্ষ কর্মীর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এ খাতে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন কর্মসংস্থান চুক্তিও এই প্রবণতাকে জোরদার করেছে। চুক্তির আওতায় শ্রমিকদের সুরক্ষা, নিয়মিত বেতন পরিশোধ, কল্যাণ ও স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে ২০২৬ সালে প্রায় ৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ফিরে আসা বাংলাদেশিদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিনিয়োগ, স্টার্টআপ, স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ফ্যাশন, সংগীত, গণমাধ্যম, খাদ্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক কূটনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের ২০০৩ সালের ইউনেসকো কনভেনশনের মূলনীতি, নৈতিক নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া এবং অবাধ, পূর্বানুমোদিত ও অবহিত সম্মতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রত্যাবাসিতদের বেশির ভাগই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।